নতুন শাইন ১০০ ডিএক্স-এ রয়েছে হোন্ডার এনহেনচড স্মার্ট পাওয়ার প্রযুক্তিসম্পন্ন ১০০ সিসি ইঞ্জিন, যা উন্নত জ্বালানি সাশ্রয়, মসৃণ পারফরম্যান্স এবং দীর্ঘস্থায়ী নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করবে। এছাড়া এতে যুক্ত হয়েছে ফুল ডিজিটাল মিটার, ৫-ধাপ সমন্বয়যোগ্য রিয়ার সাসপেনশন এবং কম্বি ব্রেক সিস্টেম।
মডেলটির উদ্বোধন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুসুমু মোরিসাওয়া বলেন, মানুষের জীবনকে আরও গতিশীল করতে সাশ্রয়ী, নির্ভরযোগ্য ও উচ্চমানের গতিশীলতার সমাধান পৌঁছে দেওয়াই হোন্ডার বৈশ্বিক লক্ষ্য। গ্রাহকদের চাহিদা পূরণে আমরা নিয়মিত নতুন মডেল, আধুনিক প্রযুক্তি, নতুন ফিচার ও আকর্ষণীয় রঙ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।
প্রতিষ্ঠানটির চিফ মার্কেটিং অফিসার শাহ মোহাম্মদ আশেকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের কমিউটার মোটরসাইকেল বাজারে নির্ভরযোগ্যতা, আরাম ও কম পরিচালন ব্যয়ের সমন্বিত সমাধান দিয়ে আসছে। তার মতে, নতুন শাইন ১০০ ডিএক্স উন্নত প্রযুক্তি, চমৎকার মাইলেজ, সহজ নিয়ন্ত্রণ এবং আরামদায়ক রাইডিং অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বিশেষ করে শহর, মফস্বল ও গ্রামীণ এলাকার দৈনন্দিন যাতায়াতের জন্য একটি আদর্শ মোটরসাইকেল হিসেবে নতুন মানদণ্ড তৈরি করবে।
নতুন বাইকটিতে দীর্ঘ ও আরামদায়ক সিট, সহজে মাটিতে পা রাখার উপযোগী সিট উচ্চতা, ৫-স্টেপ অ্যাডজাস্টেবল রিয়ার সাসপেনশন, দীর্ঘ হুইলবেস এবং উচ্চ গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স থাকায় বিভিন্ন ধরনের সড়কে আরও স্থিতিশীল ও স্বাচ্ছন্দ্যময় রাইড নিশ্চিত হবে।
নিরাপত্তার জন্য এতে রয়েছে কম্বি ব্রেক সিস্টেম, যা ভারসাম্যপূর্ণ ব্রেকিং নিশ্চিত করে। এছাড়া টিউবলেস টায়ার, শক্তিশালী ফ্রেম এবং মজবুত গ্র্যাব রেইল চালক ও আরোহীর নিরাপত্তা বাড়িয়েছে।
আধুনিক ফিচারের মধ্যে রয়েছে সম্পূর্ণ ডিজিটাল মিটার, যেখানে জ্বালানির পরিমাণ, মাইলেজ, ট্রিপ মিটার ও সময়সহ প্রয়োজনীয় তথ্য দেখা যাবে। পাশাপাশি নতুন গ্রাফিক্স, অ্যালয় হুইল এবং ক্রোম ফিনিশ মাফলার কভার মোটরসাইকেলটির প্রিমিয়াম লুককে আরও আকর্ষণীয় করেছে।
নতুন শাইন ১০০ ডিএক্স লাল, কালো ও ধূসর—এই তিনটি রঙে পাওয়া যাচ্ছে। গ্রাহকদের জন্য থাকছে ২ বছর অথবা ২০ হাজার কিলোমিটার (যেটি আগে হবে) ওয়ারেন্টি এবং ৫টি ফ্রি সার্ভিস।