বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে নিহতের মরদেহ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এর আগে ভোরে উপজেলার হরণী ইউনিয়নের আলআমিন গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত তাজ নাহার উপজেলার তমরদ্দি ইউনিয়নের আব্দুল জলিলের মেয়ে এবং তিন সন্তানের জননী ছিলেন। অভিযুক্ত স্বামী মিলন উপজেলার আলআমিন গ্রামের হোসেনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জেরে বৃহস্পতিবার ভোর রাতের দিকে মিলন তার স্ত্রীকে এসএস পাইপ দিয়ে মাথা ও শরীরে বেধড়ক মারধর করেন। এতে তার মাথা, মুখমণ্ডল ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত এবং ডান হাতের কব্জি ভেঙে যায়। সকাল ছয়টার দিকে তাজ নাহার অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে সকাল নয়টার দিকে স্থানীয় পল্লি চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
মরদেহ বাড়িতে আনার কয়েক ঘণ্টা পর বিকেল চারটার দিকে পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়। মোরশেদ বাজার তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরে মরদেহ উদ্ধার করে।
মোরশেদ বাজার তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. শহিদ উল্যাহ জানিয়েছেন, সুরতহাল প্রতিবেদনে মৃত নারীর মাথা, মুখ ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন এবং ভাঙা কব্জি পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে স্বামীর মারধরের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন জানান, অভিযুক্ত স্বামী ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। নিহত নারীর পরিবারের সদস্যদের লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।