বুধবার (৩ জুন) সকালে সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি বলেন, ময়নাতদন্ত না হলেও এই মামলায় কেউ বিশেষ সুবিধা পাবে না।
তিনি আরও বলেন, ৪৯২টি উপজেলার সরকারি হাসপাতালকে ৫০ শয্যা থেকে ১০১ শয্যার হাসপাতালে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গণপূর্ত বিভাগ আজ থেকেই কাজ শুরু করছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, পাঁচটি বিভাগে পাঁচটি শিশু হাসপাতাল করা হবে। খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী, রংপুর ও কুমিল্লায় এসব হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। প্রতিটি শিশু হাসপাতালে একটি বিশেষায়িত আইসিইউ থাকবে। ছয় মাসের মধ্যে কাজ শেষ হলে প্রধানমন্ত্রী এসব হাসপাতাল উদ্বোধন করবেন।
তিনি বলেন, ঢাকা মিটফোর্ড হাসপাতালের পুরোনো ভবন ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণ করা হবে। এছাড়া চীন-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে নারীদের জন্য পাঁচটি বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য স্ক্রিনিং করা হবে। প্রথমে ৬ থেকে ১০টি উপজেলার একটি করে ইউনিয়নে পাইলট প্রকল্প হিসেবে এই কার্যক্রম চালু করা হবে। সফল হলে সারাদেশে স্ক্রিনিং কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে, যাতে স্বাস্থ্যসেবা তৃণমূল পর্যায়ে আরও ভালোভাবে পৌঁছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হামে মৃত্যুর সংখ্যা কমে এসেছে। এখন এটি ব্যাপকভাবে বাড়ছে না, বরং একটি স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। আশা করি, এক মাসের মধ্যে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে। হাম বা ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বাড়লে সেনাবাহিনীর সহায়তায় মোবাইল হাসপাতাল প্রস্তুত রয়েছে।