নিহতরা হলো ভালতা আদর্শ গুচ্ছগ্রামের মো. ফারুকের ছেলে ফাহিম (৮), মেয়ে সুরাইয়া খাতুন (৬) এবং প্রতিবেশী রাশেদুল ইসলামের ছেলে জাকিরুল ইসলাম (৬)।
স্থানীয়দের ভাষ্য, দুপুর ১২টার দিকে খেলতে খেলতে সবার অগোচরে পুকুরে গোসল করতে নামে তিন শিশু। কেউই সাঁতার জানত না। ফলে পানিতে নেমেই তারা বিপদে পড়ে এবং ডুবে যায়।
প্রায় এক ঘণ্টা পর, দুপুর ১টার দিকে জাকিরুলের মরদেহ পানিতে ভাসতে দেখে চিৎকার দেন এক প্রতিবেশী। পরে এলাকাবাসী জাকিরুল ও সুরাইয়ার মরদেহ উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে তল্লাশি চালিয়ে ফাহিমের মরদেহ উদ্ধার করেন।
স্থানীয়রা জানান, ফাহিম ও সুরাইয়ার বাবা-মা দুজনই কাজের কারণে বাড়ির বাইরে থাকেন। দুই ভাই-বোন নানীর কাছে গুচ্ছগ্রামে থাকত। ঘটনার সময় নানী রান্নার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। সেই সুযোগেই শিশু তিনটি বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই নেমে আসে অপূরণীয় শোক।
কাহালু থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ব্রজেন চন্দ্র মাহাতো ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তিন শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এই মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো ভালতা আদর্শ গুচ্ছগ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একটি অসতর্ক মুহূর্তে তিনটি নিষ্পাপ প্রাণ ঝরে যাওয়ার ঘটনায় এলাকাজুড়ে চলছে কান্না আর আহাজারি।