পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২৬ জুলাই) রাতে হালুয়াঘাট উপজেলার ধুরাইল গ্রামে অভিযান চালিয়ে ওয়াসেল আহমেদ আজহারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন সোমবার আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে হালুয়াঘাট উপজেলার ধুরাইল ইউনিয়নের কাওলারা গ্রামের মৃত সমর আলীর ছেলে মো. লিটন মিয়ার ইয়াবা সেবনের একটি ছবি ছড়িয়ে পড়ে। ছবিটি উত্তর ধুরাইল এলাকার মৃত আবু আসাদের ছেলে মো. এমদাদুল হক মুকুল ছড়িয়েছেন—এমন সন্দেহে তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে প্রতিপক্ষ। একপর্যায়ে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৫ জুলাই রাত সাড়ে ১২টার দিকে ধুরাইল বাজারের একটি দোকানে ফুটবল খেলা দেখতে গেলে মুকুলের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে হালুয়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় আহত মুকুলের ছোট ভাই মো. রোকন মিয়া বাদী হয়ে হালুয়াঘাট থানায় হামলা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। ওই মামলায় ওয়াসেল আহমেদ আজহার এজাহারনামীয় আসামি।
হালুয়াঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফেরদৌস আলম বলেন, ‘হত্যাচেষ্টা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ওয়াসেল আহমেদ আজহারকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার তদন্ত এবং অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’