উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ফুলপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ ইউসুফ।
এসময় ইউএনও মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, ‘পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে সফল ও সার্থক করতে ফুলপুর উপজেলার সর্বস্তরের মানুষকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, তালগাছ পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বজ্রপাতের ঝুঁকি কমানোসহ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে তালগাছ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে ফুলপুরকে সবুজ ও বাসযোগ্য উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শফিকুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাদিয়া ফেরদৌসী, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বেগম শাহিন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল হোসেন, যুগান্তরের সাংবাদিক মো. নাজিম উদ্দিন, কালের কণ্ঠের সাংবাদিক মোস্তফা খান, যায়যায়দিনের সাংবাদিক শাহ্ নাফিউল্লাহ সৈকত, সংগ্রামের সাংবাদিক আকবর আলী হাবিবসহ অন্যান্য সাংবাদিক, ইউপি সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও এলাকাবাসী।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় ফুলপুর উপজেলায় মোট ২০ হাজার গাছের চারা রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ৮ হাজার চারা রোপণ করা হয়েছে। এসব কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন সড়ক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হচ্ছে।
পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় চলমান এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ফুলপুরের সবুজায়নকে আরও সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, নির্মল ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।