দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গাজী নজরুল ইসলাম বর্তমানে জামায়াতের কেউ নন। তাকে ইতোমধ্যে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর কারণ কী, তা তদন্ত করে দেখার দায়িত্ব সরকারের। এ বিষয়ে জামায়াতের কোনো বক্তব্য নেই।
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “এটা ব্যক্তিগত বিষয়। এটা নিয়ে জামায়াতের বক্তব্য দেওয়ার কিছু নেই। তাছাড়া গাজী নজরুল তো জামায়াতের কেউ নন। ব্যক্তিগত কোনো ঘটনা বা অপরাধ তদন্তের দায়িত্ব সরকারের। এখানে জামায়াতের কোনো বক্তব্য নেই।”
এর আগে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান জানান, ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে মরিয়ম খাতুনের মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলে সিআইডির ফরেনসিক দলের সদস্যদেরও ডাকা হয়েছে।
গাজী নজরুল ইসলাম জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়নে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
সম্প্রতি এক তরুণীর সঙ্গে ব্যক্তিগত মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর গাজী নজরুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, ওই তরুণী তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুন।
এরপর গত ২২ জুলাই জামায়াতে ইসলামী গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে স্পিকার, নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্টদের কাছেও চিঠি দেয় দলটি।
মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ তদন্ত করছে। মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে তদন্তের ফল না পাওয়া পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়নি।