হাইকোর্ট বিভাগের সাধারণ ও সংস্থাপন শাখা গত ১৭ সেপ্টেম্বর এ-সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ জারি করে। এতে সাবেক অফিস সহকারী মোহাম্মদ গোলাম মাওলাকে ৩০ দিনের মধ্যে অটোমেটেড চালান সিস্টেমের মাধ্যমে পুরো অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দিতে বলা হয়েছে।
অফিস আদেশ অনুযায়ী, রাজধানীর হাতিরপুলের বাসিন্দা মোহাম্মদ গোলাম মাওলা ২০০৭ সালে সুপ্রিম কোর্টে অফিস সহকারী হিসেবে যোগ দেন। পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে জাল শিক্ষাগত সনদ ব্যবহার করে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনায় ২০২১ সালে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, জাল শিক্ষাগত সনদের মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়ায় তার নিয়োগ শুরু থেকেই বাতিল বলে গণ্য হবে। ফলে চাকরির পুরো মেয়াদের জন্য তিনি কোনো বেতন-ভাতার আইনগত দাবিদার নন।
হিসাব অনুযায়ী, ২০০৭ সালের ৩১ জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চাকরিকালে তিনি বেতন-ভাতা বাবদ মোট ৪২ লাখ ৩ হাজার ৯০১ টাকা উত্তোলন করেছেন।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী, ওই পুরো অর্থ ৩০ দিনের মধ্যে সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে হবে।