প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, রোববার সকালে কাজে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হওয়ার সময় আলামীন (৩৫) ও তার স্ত্রী সোনীয়া খাতুন ঝগড়া শুরু করে। ঝগড়ার এক পর্যায়ে দুইজনই লাঠি দিয়ে মারামারি করে। পরে আলামিন বাড়ি থেকে বের হয়ে গেলে সোনিয়া খাতুন ঘুমিয়ে থাকা তার নিজের কন্যা আনিকা খাতুনের মুখে ঘরে থাকা ঘাসপোড়া কীটনাশক ঢেলে দেয়। এই ঘটনা তার শাশুড়ী দেখে ফেলে বাঁধা দিতে আসলে তাকে ধাক্কা মেরে আহত করা হয়। পরে বাড়ির অন্যান্য সদস্যরা গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শিশু আনিকাকে নিয়ে প্রথমে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করে। পরে অবস্থার অবনতি ঘটলে চিকিৎসকের পরামর্শে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শিশুটি এখনো চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মায়ের দ্বারা নিজের শিশুকে নিজ হাতে মুখে বিষ ঢেলে হত্যাচেষ্টার ঘটনাটি এলাকায় আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
সংবাদ শুনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান শেখ।এসময় তিনি বলেন, নিজের আপন মা কতৃক সন্তানের মুখে বিষ ঢেলে হত্যাচেষ্টার খবর শুনে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসেছি। ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে সোনিয়া খাতুনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। শিশুটি এখন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এই বিষয়ে তদন্তপূর্বক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।