কেরানীগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের ঘটনায় বিরোধীদলীয় নেতার শোক
চ্যানেল এইটটিন ডেস্ক
|
২০২৬-০৪-০৪ ২১:৪২
সিইও: সাজ্জাদ হোসেন
বাংলাদেশ অফিস: ইউরোপা টাওয়ার, ফ্ল্যাট ৩/বি, ৩৮৩/১/এফ বিটিভি সংলগ্ন, পূর্ব রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
যুক্তরাজ্য অফিস: লেক্স হাউস, ১-৭ হেইনল্ট স্ট্রিট, ইলফোর্ড আইজি১ ৪ইএল, যুক্তরাজ্য।
ফোন : +৪৪ ৭৪৯৫ ৯২২৫৮২
© ২০২৬| চ্যানেল ১৮ কর্তৃক সর্বসত্ব ® সংরক্ষিত | Powered by: channel18 IT
বগুড়া শহরের ফিলিং স্টেশনগুলোতে হঠাৎ করেই নেমে এলো প্রশাসনের কড়া নজরদারি। ভোক্তাদের জ্বালানি তেলের ন্যায্য প্রাপ্তি ও সঠিক পরিমাপ নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) যৌথভাবে পরিচালনা করেছে একটি ঝটিকা অভিযান। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাতে পরিচালিত এই অভিযানে একটি ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা করা হয়, পাশাপাশি অন্যদের দেওয়া হয় কঠোর সতর্কবার্তা।বিএসটিআই আঞ্চলিক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জ্বালানি তেলের পরিমাপে অনিয়ম ও কৃত্রিম সংকটের অভিযোগের প্রেক্ষিতে এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। মূল উদ্দেশ্য ছিল—তেলের সঠিক পরিমাপ নিশ্চিত করা, স্টোরেজ ট্যাংকে পর্যাপ্ত মজুত আছে কিনা যাচাই, অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মেহরাব হোসেন।অভিযান চলাকালে শহরের মেসার্স শতাব্দী ফিলিং স্টেশন-কে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অন্যদিকে মাটিডালী ও ছিলিমপুর এলাকার আরও চারটি পাম্পে চালানো হয় মজুত ও পরিমাপ যাচাই কার্যক্রম। পরিদর্শন করা প্রতিষ্ঠানগুলো—মেসার্স বগুড়া সিএনজি ফিলিং স্টেশন, মেসার্স এম এইচ খান এন্ড পার্টনার, মেসার্স বগুড়া ফিলিং স্টেশন, মেসার্স মিতালী ফিলিং স্টেশন। এসব প্রতিষ্ঠানে তাৎক্ষণিক বড় অনিয়ম ধরা না পড়লেও তাদের সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। অভিযান শেষে ম্যাজিস্ট্রেট মেহরাব হোসেন ফিলিং স্টেশন মালিকদের স্পষ্ট নির্দেশনা দেন—স্টোরেজে তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ রাখা যাবে না, ভোক্তাদের কৃত্রিম সংকটে ফেলা যাবে না, এছাড়া সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাও দেওয়া হয়—হেলমেট ও ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া মোটরযান চালকদের কাছে জ্বালানি বিক্রি না করতে হবে।অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই-এর প্রকৌশলী প্রান্তজিত সরকার ও ফিল্ড অফিসার মো. শাহানূর হোসেন খান। তারা মেট্রোলজি যন্ত্রের মাধ্যমে তেলের পরিমাপ যাচাই করেন। বিএসটিআই বগুড়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. জহুরুল হক জানান“জনস্বার্থে তেলের সঠিক পরিমাপ নিশ্চিত করতে এই ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে। এই অভিযান শুধু একটি জরিমানা বা সতর্কতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়—এটি একটি বার্তা।যে কোনো ধরনের কারচুপি, মজুতদারি বা পরিমাপে অসততা—এসবের বিরুদ্ধে প্রশাসন এখন আরও সক্রিয়।বগুড়ার ফিলিং স্টেশনগুলোতে এই ঝটিকা অভিযান ভোক্তাদের মধ্যে স্বস্তি তৈরি করলেও প্রশ্ন রয়ে যায়—এই নজরদারি কতটা ধারাবাহিক হবে? যদি এই অভিযান নিয়মিত হয়, তবে হয়তো ভবিষ্যতে ভোক্তারা প্রতিটি ফোঁটা জ্বালানির জন্য আর সন্দিহান থাকবেন না। কারণ, এখন নজর শুধু মজুতে নয়—মাপেও
ঢাকার কেরানীগঞ্জের কদমতলী এলাকায় একটি গ্যাস লাইটার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৫ জনের মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার (০৪ মার্চ) এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, আজ ৪ এপ্রিল দুপুর ১টার দিকে কদমতলীতে এক গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুন লেগে এই বিবৃতি লেখা পর্যন্ত ৩ জন নারীসহ ৫ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। আরও ২ জন গুরুতরভাবে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। আমি এ হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি।
তিনি আরও বলেন, এ হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার-পরিজনের শোক কখনোই পূরণ হওয়ার নয়। আমি নিহতদের রূহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং আহত ও নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।
জামায়াত আমির বলেন, অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ কারখানা গড়ে ওঠার কারণে এমন দুর্ঘটনা বারবার ঘটছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতা ও যথাযথ তদারকির অভাবের কারণেই এ ধরনের প্রাণহানি ঘটছে।
আমি অবিলম্বে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। একই সঙ্গে আমি আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা এবং নিহত ও আহতদের পরিবারকে উপযুক্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধে অবৈধ কারখানাগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শিল্পকারখানায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।