খোমেনী ইহসান বলেন, তাই সংবিধান সংশোধন বা সংস্কারের নাটক বাদ দিয়ে জনগণের ভোটে নতুন সংবিধান প্রণয়ন করা জরুরি। তিনি বর্তমান সংবিধান প্রণয়ন প্রক্রিয়া, সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে সরকার ও বিরোধী দলগুলোর কার্যক্রম কঠোরভাবে সমালোচনা করেন।
তিনি আরও বলেন, বাহাত্তরের সংবিধান প্রণয়নকারীরা স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের জনগণের ওপর ধর্ম নিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্রকে চাপিয়ে দিয়েছে। এভাবে ভারতের প্রতি অনুগত একটি ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্র ও শাসক শ্রেণি তৈরি হয়েছে। খোমেনী ইহসান বলেন, এই অব্যবস্থার কারণে দেশব্যাপী ধারাবাহিকভাবে মুক্তিযুদ্ধ, বিপ্লব ও গণঅভ্যুত্থানের পরও জনগণ সম্পূর্ণ মুক্তি ও স্বাধীনতা পায়নি।
সমাবেশে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক শেখ হাসিনা রেজিম পালানোর পর পরিত্যক্ত সংবিধান পুনর্বহালের ষড়যন্ত্রেরও উল্লেখ করেন। তিনি বিএনপি ও জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলকে সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া থেকে সরে আসার আহ্বান জানান।
খোমেনী ইহসান অবিলম্বে জুলাই গণহত্যার বিচার কার্যকর করার দাবি জানান। তিনি বলেন, পিলখানা, শাপলা চত্বর ও জুলাই গণহত্যার মামলায় খুনীদের দ্রুত ফাঁসির ব্যবস্থা করতে হবে।
সমাবেশে সহকারী সদস্য সচিব গালীব ইহসানের সঞ্চালনায় বক্তৃতা করেন যুগ্ম আহ্বায়ক সাইয়েদ কুতুব, সহকারী সদস্য সচিব আব্দুস সালাম, বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের সদস্য সচিব ফজলুর রহমান, সহকারী সদস্য সচিব জিহাদি ইহসান, প্যান ইসলামিক মুভমেন্টের নেতা অ্যাডভোকেট শাহ আব্দুল আজীজ। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সদস্য সাইদুল ইসলাম, বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের সহকারী সদস্য সচিব মো. আশরাফুল ইসলাম ও বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক মো. আরিফুল ইসলাম প্রমুখ।