এই সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সৌদি আরব এবং সম্ভাব্যভাবে তার প্রতিবেশী দেশগুলো হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে আরও বেশি পরিমাণে জ্বালানি তেল নিরাপদে পরিবহন করতে সক্ষম হবে।
হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী, আশির দশকের শুরুর দিকে নির্মিত এই পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনটি সাম্প্রতিক সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে গত ফেব্রুয়ারি মাসে ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এবং তার ফলে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে এই রুটের গুরুত্ব বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বর্তমানে এই পাইপলাইনের মাধ্যমে লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর পর্যন্ত প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৭০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল পরিবহন করা সম্ভব। রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি আরামকোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গত মে মাসে জানিয়েছিলেন, এই তেলের মধ্যে প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল পশ্চিম উপকূলের শোধনাগারগুলোতে সরবরাহ করা হয় এবং অবশিষ্ট প্রায় ৫০ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানির কাজে ব্যবহৃত হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, পাইপলাইনের এই সক্ষমতা আরও ২০ লাখ ব্যারেল পর্যন্ত বাড়ানোর উদ্দেশ্যে সৌদি আরব ইতোমধ্যে তার কিছু প্রতিবেশী দেশের সাথে প্রাথমিক আলোচনা শুরু করেছে। এই পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি নিরাপত্তা ও সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে বড় ধরণের ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
সূত্র: আল-আরাবিয়া।