তিনি বলেন, ‘লংমার্চকারীরা কী বক্তব্য দিচ্ছে, কী ধরনের ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে এবং তাদের কী ধরনের মতলব রয়েছে, সেদিকেও জনগণকে খেয়াল রাখতে হবে।’
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে ভুলতা-আড়াইহাজার-বাঞ্ছারামপুর-নবীনগর-শিবপুর-রাধিকা আঞ্চলিক মহাসড়কের কড়ইকান্দি ফেরিঘাট থেকে কোনাঘাট পর্যন্ত অংশের নির্মাণকাজ উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জোনায়েদ সাকি বলেন, সরকার দেশের মানুষের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। অথচ এসব উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর রাজনৈতিক মাঠে বিচরণ ও বক্তব্য দেওয়ার অধিকার রয়েছে। তবে যারা মব সৃষ্টি করছে, নিজেদের দোষ অন্যের ওপর চাপানোর চেষ্টা করছে এবং মব তৈরি করে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চাইছে, তাদের উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করতে দেওয়া যাবে না।
তিনি বলেন, এই সড়ক নির্মাণ হলে বিশেষ করে বাঞ্ছারামপুর ও নবীনগরে বিনিয়োগের সম্ভাবনা বাড়বে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কয়েকটি উপজেলা দীর্ঘদিন অবহেলিত ছিল। সড়কটি নির্মাণের মাধ্যমে এসব এলাকায় বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে। পাশাপাশি কুমিল্লার কয়েকটি উপজেলাতেও বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা জানান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের আওতাধীন সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) প্রকল্পটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে। নির্মাণকাজ শেষ হলে বাঞ্ছারামপুরসহ আশপাশের এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা আরও সহজ হবে। পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনে গতি বাড়বে। এতে এ অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে আশা করছেন তারা।
কুমিল্লা সওজের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. মোফাজ্জল হায়দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য এম এ খালেক পিএসসি, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রফিক সিকদার, অ্যাডভোকেট জিয়াউদ্দিন জিয়া, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ভৌত ও অবকাঠামো বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া এবং পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এহসানুল হকসহ অনেকে।