আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এনএসএস এর বাস্তবায়নে অ্যাকশন এইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় পাথরঘাটা উপজেলা পরিষদের চতুর্থ তলায় হলরুমে কর্মশালায় এ দাবি করা হয়। এসময় প্রধান অতিথি ছিলেন, পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাপস পাল, বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.জাহিদুর রহমান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মহসিন হোসেনসহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, শিক্ষক, সাংবাদিক, এনজিও প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রতিষ্ঠা প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী মো. মিরাজ হোসেন।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবক এবং বিভিন্ন সংস্থা জনগণকে নিরাপদে যাওয়া, আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও জরুরি সামগ্রী সংরক্ষণ এবং ঘরবাড়ি সুরক্ষিত করার মতো পদক্ষেপ মানুষকে দুর্যোগ মোকাবিলায় সহায়তা করে।
তাদের মতে, সচেতনতা ও আগাম প্রস্তুতিই দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়। তারা উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের সরকারি নির্দেশনা মেনে চলা এবং গুজবে কান না দেওয়ার পরামর্শ দেন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ থাকলে ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষতিকর প্রভাব অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তাই দুর্যোগের সময় সবাইকে সতর্ক থাকা এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। এছাড়াও আশ্রয় কেন্দ্রগুলো সচল রাখা, ব্যবস্থাপনা কমিটি সক্রিয়করনের বিষয় গুরুত্বারোপ করেন।
উপজেলা সমন্বয়কারী মো. মিরাজ হোসেন বলেন, জাতীয় পর্যায়ে বহুমাত্রিক দুর্যোগ ভিত্তিক আগাম ব্যবস্থাপনা এবং দুর্যোগ মোকাবেলা ব্যবস্থা শক্তিশালী করনের মাধ্যমে বাংলাদেশের বহু ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর রানহানি আত্মসমাজের এবং মানবিক চাহিদা হ্রাস করা এ প্রকল্পের লক্ষ। এছাড়াও প্রভাব ভিত্তিক পূর্বাভাস ও আগাম সর্তকতা ব্যবস্থা উন্নত করা, দুর্যোগ অর্থায়ন ব্যবস্থা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া, কমিউনিটি সুরক্ষা ও সক্ষমতা জোরদার করা, কমিউনিটি পর্যায়ে বহুমুখী দুর্যোগ প্রস্তুতি শক্তিশালী করাও এ কাজের উদ্দেশ্য।