ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার বলাবাড়িয়া গ্রামে। আহত ব্যক্তি উজ্জ্বল খান (৪০), তিনি ওই গ্রামের আকমল খানের ছেলে এবং দুই সন্তানের জনক। অভিযুক্ত স্ত্রী রুবিনা আক্তার চায়না (৩৫), একই গ্রামের সলেমান হোসেনের মেয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দাম্পত্য কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটে। দীর্ঘদিন ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য ও ঝগড়া-বিবাদ চলছিল। এলাকাবাসীর দাবি, পরকীয়ার সন্দেহ নিয়েও তাদের মধ্যে বিরোধ ছিল।
অপরদিকে এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ অভিযুক্ত স্ত্রী রুবিনা আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে। স্থানীয়রা বলছেন স্ত্রী রুবিনা আক্তার পরকিয়ায় লিপ্ত থাকায় স্বামীর সাথে বিবাদের জেরে পুরুষাঙ্গ কর্তনের ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য জরিনা খাতুন জানান, উজ্জল-রুবিনা দম্পত্তির মধ্যে দির্ঘদিন ধরে মনোমালিন্য চলছিল। প্রায়ই তারা ঝগড়া বিবাদে লিপ্ত হতো। এরই জের ধরে সোমবার দিবাগত গভীর রাতে রুবিনা আক্তার ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গে ধারালো ব্লেড দিয়ে আঘাত করেন। এতে গুরুতর জখম হন উজ্জ্বল খান।
তাকে দ্রুত কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাজমুল হাসান জানান, রোগী বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত। তবে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। তার গোপনাঙ্গে আঘাতের কারণে আটটি সেলাই দিতে হয়েছে।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ অভিযুক্ত স্ত্রী রুবিনা আক্তার চায়নাকে গ্রেপ্তার করেছে।
কোটচাঁদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযুক্ত স্ত্রী রুবিনা আক্তার চায়নাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।