তদন্তকালে বাগান মালিকপক্ষের প্রতিনিধি আলিম উল্ল্যা দাবি করেন, তাদের বাগানে প্রায় ১ হাজার ২০০টি কমলা, মাল্টা ও লেবুর গাছ ছিল। কিছু গাছ মারা যাওয়ার পর সেখানে নতুন চারা রোপণ করা হয়েছিল। এছাড়া সুপারি, উন্নত জাতের কলা, লাউ ও মিষ্টি কুমড়ার চাষও ছিল। অভিযানে এসব গাছপালা ও ফসল সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তার দাবি, প্রায় ১৮ লাখ টাকা ব্যয়ে গড়ে তোলা বাগান ধ্বংস হওয়ায় তারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এবং বর্তমানে বিভিন্ন ব্যাংক ও এনজিওর কাছে প্রায় ৮ লাখ টাকা ঋণ রয়েছে।
এ বিষয়ে আদমপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মোস্তফা কামাল অভিযোগ করেন, আদমপুর ভিট অফিসার অরুণ কান্তি যোগদানের পর থেকে তার সহযোগিতায় প্রতি সপ্তাহে ৫ থেকে ৬ ট্রাক সেগুন কাঠ পাচার করা হচ্ছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে আদমপুর ভিট অফিসার অরুণ কান্তির সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. আব্দুর রহমান বলেন, "সরকারি সংরক্ষিত বনভূমিতে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে। তদন্ত শেষে কমিটির প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হবে।