শুক্রবার দুপুরে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া পোস্টে তিনি লেখেন, ‘কে কোথা থেকে কত পারসেন্ট টাকা নেয়, তা আমি জানি। এদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে চাই নাই।’
পোস্টে এমপি মাজেদ লেখেন, ‘সারের লাইসেন্স দেওয়ার নামে অনৈতিক লেনদেন ও আওয়ামী লীগের লোকদের সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা চলছে। সারের লাইসেন্স নিয়ে বিভিন্ন মানুষ টাকা দিতে চায়, আমি সেগুলো বাদ দিয়েছি। ঈশ্বরগঞ্জে এক টাকার অনৈতিক সুবিধা আমি নিই না, কোনোদিন নেবোও না।’
সরিসা ইউনিয়নে লাইসেন্স বণ্টনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘সরিসা ইউনিয়নে এমন লাইসেন্স যখন আমাদের ত্যাগী লোকের বাইরে যায় আর ফ্যাসিস্টের লোক টাকা নিয়ে ঘোরা লোভী মানুষ যখন সবাইকে ডিঙিয়ে লাইসেন্স পায়, তখন উপজেলা ও জেলার সততা প্রশ্নবিদ্ধ হয়।’
প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি লেখেন, ‘আমার কাছে তার পক্ষে ইনিয়ে-বিনিয়ে কথা বলার কারণ খুঁজে পাই। আমি সব জানি, এদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে চাই নাই। কে কোথা থেকে কত পারসেন্ট টাকা নেয়, তা আমি জানি। যতক্ষণ এর অফিশিয়াল উত্তর না পাব, ঈশ্বরগঞ্জে কেউ কোনো মনোনীত লোক সারের লাইসেন্স নেবে না।’
সংসদ সদস্য আরও লেখেন, ‘আমাদের লোকেরা মামলা, হামলা খাবে আর আপনারা পয়সার বিনিময়ে সারের লাইসেন্স দেবেন, তা হবে না। আমরা নিজের টাকায় থানায় গাড়ি কিনে দেবো, আর আপনারা ফ্যাসিস্টকে সাপোর্ট করবেন, তা হবে না। কিসের রাজনৈতিক নেতাদের শুদ্ধী করবেন, সবার আগে প্রশাসনের লোকদের অপারেশন ক্লিন হার্ট চালানো দরকার।’
তবে সারের লাইসেন্স বণ্টনে অনিয়ম ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যুক্ত করা প্রয়োজন।