স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মীর ফারুক পরিবারসহ বলিদাপাড়া এলাকার একটি ভবনের সাবলেট বাসায় বসবাস করতেন। তিনি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের বাসিন্দা। অভিযোগ রয়েছে, শনিবার রাতে একই ভবনের সাবলেটে বসবাসকারী এক প্রতিবেশীর ১১ বছর বয়সী কন্যাশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন তিনি। পরদিন সকালে শিশুটি বিষয়টি তার মায়ের কাছে জানালে ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এ খবর জানাজানি হলে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্ত মীর ফারুককে আটক করে গণপিটুনি দেয় এবং পুলিশে খবর দেয়।
খবর পেয়ে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরে তাকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেল্লাল হোসেন জানান, অভিযোগের বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে ঘটনার সত্যতা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং সংশ্লিষ্ট সকল তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।