সরকার লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। ইতিমধ্যে শপিংমল ও দোকানপাটের সময় সন্ধ্যা ৬টার পর বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আর সরকারি-বেসরকারি অফিসের সময় এক ঘণ্টা কমানো হয়েছে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) অভ্যন্তরীণ বিশ্লেষণ অনুযায়ী, গ্যাস সরবরাহ যদি ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুটের নিচে নেমে আসে, উৎপাদন ৪,৫০০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে যেতে পারে। এছাড়া এপ্রিলে-মে মাসে দেশে সর্বোচ্চ চাহিদা হতে পারে ১৮,৫০০ মেগাওয়াট, যেখানে উৎপাদন সম্ভাবনা মাত্র ১৬,২০০ মেগাওয়াট।
গতকাল শনিবার সরকারি ছুটির দিনে সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ১৪,৩৫০ মেগাওয়াট। দিনের বেলায় ৭০০ মেগাওয়াট ও রাতের এক পর্যায়ে ১,০০০ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে। ঢাকার তুলনায় গ্রামে লোডশেডিং বেশি।
মার্চে প্রায় ৫০০ মেগাওয়াট লোডশেডিং হলেও লম্বা ঈদের ছুটিতে বিদ্যুতের চাহিদা কমায় তা কিছুটা হ্রাস পেয়েছিল। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এপ্রিলে একাধিক তাপপ্রবাহ হতে পারে, তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে, যা বিদ্যুতের চাহিদা আরও বাড়াবে।