রোববার (৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল মালিকের নোটিশের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। সংসদ সদস্য অভিযোগ করেন, বিগত ১৫ বছরে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের অবহেলা হয়েছে এবং কিছু অসাধু ব্যক্তি ভুয়া তথ্য দিয়ে তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করে রাষ্ট্রীয় সুবিধা ভোগ করেছেন, বিশেষ করে সিলেটের বালাগঞ্জ ও দক্ষিণ সুরমার এলাকায়।
মন্ত্রী বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধারা দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান। তবে কিছু সুযোগসন্ধানী ব্যক্তি অসাধু উপায়ে তালিকায় ঢুকে পড়েছে। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের উপকমিটি নিয়মিত অভিযোগ ভিত্তিক শুনানি ও যাচাই-বাছাই করছে। প্রমাণিত হলে অবিলম্বে সনদ ও গেজেট বাতিল করা হবে।
আহমদ আজম খান আরও জানান, প্রবাসে থাকা মুক্তিযোদ্ধারা যারা এখনও ডিজিটাল সনদ বা স্মার্ট আইডি পাননি, তাদের দ্রুত প্রদান করা হবে। দক্ষিণ সুরমা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স দ্রুত হস্তান্তর করা হবে, বালাগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জে নতুন কমপ্লেক্স নির্মাণ ও সংস্কারের কাজও সরকারের পরিকল্পনায় রয়েছে।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা নেত্রী খালেদা জিয়ার আদর্শে সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।