বৃহস্পতিবার সকালে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কক্ষে এ আয়োজন করা হয়।
বাংলাদেশ উদ্যানপালন উৎপাদক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিএইচপিইএ)-এর উদ্যোগে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কৃষিপণ্য ব্যবসা উন্নয়ন পরিষদ (এপিবিপিসি)-এর আর্থিক সহযোগিতায় এবং জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. কামরুজ্জামান।
প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফ্রুটস, ভেজিটেবলস অ্যান্ড এলাইড প্রোডাক্টস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএফভিএপিইএ)-এর সেক্রেটারি ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইং-এর সাবেক ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (অব.) কৃষিবিদ মো. হাফিজুর রহমান।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) কৃষিবিদ মো. আনিসুজ্জামান খান, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (পিপি) কৃষিবিদ শিকদার মো. মোহায়মেন আক্তার, কৃষি প্রকৌশলী মো. এনামুল হক এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক (অব.) কৃষিবিদ মো. আব্দুল মজিদ।
প্রশিক্ষণে জেলার পান চাষি, পান সরবরাহকারী, পান রপ্তানিকারক এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাসহ মোট ৫০ জন অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালায় রপ্তানিযোগ্য নিরাপদ ও বালাইমুক্ত পান উৎপাদন, ফসল-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী পান প্রস্তুত ও সংরক্ষণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের সুস্বাদু পান ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্যাপক চাহিদাসম্পন্ন। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকতে হলে নিরাপদ, মানসম্মত ও বালাইমুক্ত পান উৎপাদনের পাশাপাশি উত্তম কৃষি চর্চা (জিএপি) অনুসরণ করতে হবে।
প্রধান অতিথি কৃষিবিদ মো. হাফিজুর রহমান বলেন, “রপ্তানিযোগ্য পান উৎপাদনে কৃষকদের আরও সচেতন ও দক্ষ করে তুলতে হবে। আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে উৎপাদন ও বাজারজাত করতে পারলে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।”
এসময় বিএফভিএপিইএ’র পক্ষ থেকে পান উৎপাদন ও রপ্তানিতে কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়।