উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মেসার্স শান্তনা এন্টারপ্রাইজের মালিক আবুল কালাম আজাদ। প্রতিষ্ঠানটির সার বিক্রির বৈধ লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও সেখানে সরকারি সার মজুদ ও বিক্রি করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান পরিচালনা করে মজুদ করা সারগুলো জব্দ করা হয়। অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা জানান, সরকারি সার নির্ধারিত নিয়মের বাইরে অবৈধভাবে মজুদ ও বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। অভিযানে জব্দ করা ৪০৩ বস্তা ডিএপি সার বিশেষ ক্ষমতা আইনের আওতায় আটক করা হয়েছে।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। অভিযানে জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সহযোগিতা করেন। এ সময় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা পাভেল রানাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারি সার অবৈধভাবে মজুদ, কালোবাজারি বা নিয়মবহির্ভূতভাবে বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।