বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬ ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Channel18

আন্তর্জাতিক

ইরানের যে ড্রোন সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের যে ড্রোন সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

নিম্ন-উচ্চতার হুমকি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের তেমন বিনিয়োগ না করায় ইরান সেই সুযোগ ভালভাবে কাজে লাগিয়েছে বলেই অভিমত বিশেষজ্ঞদের।

ইরানের আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে না পারার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, নিম্ন-উচ্চতার হুমকি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের তেমন বিনিয়োগ করেনি, যে সুযোগটি ইরান খুব সফলভাবেই কাজে লাগিয়েছে। 

মঙ্গলবার ‘মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউট’ আয়োজিত এক ভার্চ্যুয়াল প্যানেল আলোচনায় বিশেষজ্ঞরা একথা বলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণাপ্রতিষ্ঠান স্টিমসন সেন্টারের ‘রিইম্যাজিনিং ইউএস গ্র্যান্ড স্ট্র্যাটেজি’ প্রকল্পের সিনিয়র ফেলো কেলি গ্রিকো বলেন, এই যুদ্ধের একটি অদ্ভুত বিষয় হল, যে জায়গাগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ভালো করার কথা, তারা সেখানেই ভালো করছে। অর্থাৎ, উচ্চ আকাশসীমায় ইরানের সমন্বিত আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রথাগত লড়াইয়ে তারা সফল হচ্ছে।

তিনি বলেন, আর তারা হিমশিম খাচ্ছে সেই জায়গায়, যেখানে তারা পর্যাপ্ত বিনিয়োগ করেনি এবং বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নেয়নি। সেটি হচ্ছে: আকাশ নিয়ন্ত্রণে নিম্ন-উচ্চতার হুমকি। ইরানের নিচু দিয়ে উড়ে আসা ড্রোন হামলা ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র হিমশিম খাচ্ছে।

ইরান উচ্চমাত্রার মোবাইল ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করার মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় আকাশে যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য রুখে দিচ্ছে, যেখানে আধিপত্য বজায় রাখা ওয়াশিংটনের জন্য প্রয়োজন ছিল বলে জানান গ্রিকো।

তবে তার এই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পরই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারিতে ইরানে যুদ্ধ শুরুর পর দেশটি তাদের সব সক্ষমতা হারিয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা এখন তেহরানের আকাশে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছি। 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথও একে ‘ইতিহাসে নাম লেখানোর মতো বিজয়’ বলে বর্ণনা করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণাপ্রতিষ্ঠান স্টিমসন সেন্টারের সিনিয়র ফেলো কেলি গ্রিকোর কথায়, ইরান জানে তারা সরাসরি আকাশযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরাইলের সমকক্ষ নয়। তার ইরান তাদের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে না বরং ভিন্ন পথ নিয়েছে।

নিচু আকাশসীমা ব্যবহার করে ইরান ‘বিঘ্ন সৃষ্টিকারী যুদ্ধ’ (ওয়ার অব ডিসরাপশন) চালাচ্ছে। এই কাজটা তারা করছে বিশেষত ড্রোন দিয়ে। উদ্দেশ্য, উপসাগরীয় দেশগুলোর ব্যাপক ক্ষতি ও ভোগান্তি তৈরি করা।

ইরানের তৈরি শাহেদ ড্রোনগুলো নির্মাণে খরচ কম হলেও সেগুলো মোকাবিলা করতে লাখ লাখ ডলার খরচ করতে হচ্ছে।

গ্রিকো বলেন, উপসাগরীয় দেশগুলো মূলত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানোর প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করেছিল। কিন্তু নিচু দিয়ে ওড়া ইরানের ড্রোন শনাক্ত করতে তাদের ভিন্ন ধরনের সেন্সর ও রাডার দরকার।

আরও

সৌদিতে বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ সতর্কতা

আন্তর্জাতিক

সৌদিতে বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ সতর্কতা

সৌদি আরবে বসবাসরত বাংলাদেশিদের স্থানীয় আইন মেনে চলা, নিরাপদ প্রবাসজীবন নিশ্চিত করা এবং আইনি জটিলতা এড়িয়ে চলতে বিশেষ সতর্...

২০২৬-০৯-২৮ ২০:৩৭

সমাবেশের অনুমতি না পেয়ে ‘জেল ভরো আন্দোলনের’ ডাক -ককরোচ জনতা পার্টির

আন্তর্জাতিক

সমাবেশের অনুমতি না পেয়ে ‘জেল ভরো আন্দোলনের’ ডাক -ককরোচ জনতা পার্টির

মুম্বাইয়ের শিবাজী পার্কে বিক্ষোভ সমাবেশের অনুমতি না পেয়ে ‘জেল ভরো আন্দোলন’ বা গণগ্রেপ্তার কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে ভারতের...

২০২৬-০৯-২৮ ১৭:৫১

শুভেন্দুর মৃত্যু কামনা, বিতর্কে হুমায়ুন কবির

আন্তর্জাতিক

শুভেন্দুর মৃত্যু কামনা, বিতর্কে হুমায়ুন কবির

পশ্চিমবঙ্গে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির (এজেইউপি) প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবির। রোববার (২...

২০২৬-০৯-২৭ ১৮:১৫

কানাডায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে চালকসহ ৪ জন নিহত

আন্তর্জাতিক

কানাডায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে চালকসহ ৪ জন নিহত

কানাডার বৃহত্তম রাজ্য কুইবেকে একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে চালকসহ ৪ জন নিহত হয়েছেন। গত কাল শনিবার রাজধানী মন্ট্রিল থেকে...

২০২৬-০৯-২৭ ১৩:০৮