মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান নতুন প্রস্তাবে জানিয়েছে—যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এবং উপসাগরীয় শিপিং সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি না হলে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা স্থগিত রাখা হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান হলো, পারমাণবিক ইস্যু শুরু থেকেই আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে হবে।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র গণমাধ্যমের মাধ্যমে আলোচনা করবে না এবং তাদের অবস্থান স্পষ্ট। ট্রাম্প প্রশাসন যুদ্ধ শেষ করতে চাইলেও নির্ধারিত “রেড লাইন” বজায় রাখবে।
২০১৫ সালে ইরান ও কয়েকটি দেশের মধ্যে হওয়া পারমাণবিক চুক্তি ইরানের কর্মসূচিকে সীমিত করেছিল। তবে ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে ওই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করলে তা কার্যত ভেঙে যায়।
এদিকে কূটনৈতিক অগ্রগতি থমকে যাওয়ার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ায় জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীতে চলাচল সীমিত হওয়ায় বৈশ্বিক তেল বাজারে চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বৈঠকে ট্রাম্প ইরানের প্রস্তাবে অসন্তোষ প্রকাশ করেন, কারণ এতে পারমাণবিক আলোচনাকে যুদ্ধ-পরবর্তী ধাপে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, উভয় পক্ষই এখনো গুরুত্বপূর্ণ শর্তে একমত হতে না পারায় শান্তি আলোচনার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত রয়ে গেছে।