রাজধানী রিয়াদে আরব ও ইসলামি দেশগুলোর জরুরি বৈঠক শেষে তিনি বলেন, ‘আমাদের সক্ষমতা যথেষ্ট, কিন্তু আমাদের ধৈর্য সীমাহীন নয়। পরিস্থিতি যেকোনো সময় ভিন্ন দিকে মোড় নিতে পারে।’ তার এই মন্তব্য ইঙ্গিত দেয়-কূটনৈতিক পথ খোলা থাকলেও সামরিক বিকল্প ব্যবস্থা এখন টেবিলে রয়েছে।
সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, ২০২৩ সালে পুনঃস্থাপিত সৌদি-ইরান সম্পর্কের যে সামান্য আস্থা তৈরি হয়েছিল, তা এখন ‘সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে’। ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলাকে তিনি ‘পূর্বপরিকল্পিত শত্রুতামূলক পদক্ষেপ’ হিসেবে আখ্যা দেন।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘সৌদি আরবও প্রয়োজনে সামরিক পদক্ষেপ নেয়ার অধিকার রাখে’ এবং সতর্ক করেন-এই উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে এর ‘রাজনৈতিক ও নৈতিক পরিণতি’ ইরানকেই বহন করতে হবে।
যদিও সৌদি আরব এখনও কূটনৈতিক সমাধানকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে, তবে চলমান হামলা পরিস্থিতিকে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে, যেখানে ‘সংলাপের দরজা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে’।