আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, শুক্রবার (৯ অক্টোবর) হামলার পর জাহাজটির ইঞ্জিনকক্ষ ও চালনাব্যবস্থায় ভয়াবহ আগুন ধরে যায়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আইআরজিসির নৌবাহিনীর সদস্যরা হরমুজ প্রণালি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন। এই অঞ্চলে ‘আগ্রাসী সেনাবাহিনীর’ উপস্থিতি তারা অনুমোদন করবেন না। পাশাপাশি, প্রণালির ব্যবস্থাপনা ব্যাহত করতে শত্রুপক্ষের যেকোনো তৎপরতার কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে, যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্যবিষয়ক সংস্থা ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) আলাদাভাবে জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল জাজিরা বন্দরের ১৩ নটিক্যাল মাইল পশ্চিমে একটি জাহাজ অজ্ঞাত ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে আক্রান্ত হয়েছে। এতে আগুন ধরে গেলেও পরে তা নিভিয়ে ফেলা হয়।
আইআরজিসির দাবি করা হামলা এবং ইউকেএমটিওর জানানো ঘটনাটি একই কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।