সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি আলেকজান্দ্রে দে মোরাস বলসোনারোর আইনজীবীদের আবেদনের পর এ সিদ্ধান্ত দেন। আদালত জানান, চিকিৎসার প্রয়োজন এবং শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনায় নিয়ে তাকে সাধারণ কারাগারে না পাঠিয়ে গৃহবন্দি রাখাই উপযুক্ত।
২০২২ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার কাছে পরাজয়ের পর ক্ষমতা ধরে রাখতে অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ২০২৫ সালের আগস্টে গ্রেপ্তার হন বলসোনারো। পরে আদালত তাকে ২৭ বছর ৩ মাসের কারাদণ্ড দেন।
গ্রেপ্তারের পর প্রথমে তাকে গৃহবন্দি রাখা হলেও পরে ইলেকট্রনিক নজরদারি যন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগ এবং নিরাপত্তাজনিত কারণে পুলিশ হেফাজত ও পরবর্তীতে কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।
কারাগারে থাকাকালে নিউমোনিয়া ও কিডনি জটিলতায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে চলতি বছরের মার্চে তাকে ৯০ দিনের জন্য গৃহবন্দি থাকার অনুমতি দেয় আদালত। সেই মেয়াদ শেষ হলে আইনজীবীরা গৃহবন্দিত্বের সময় বাড়ানোর আবেদন করেন, যা সুপ্রিম কোর্ট মঞ্জুর করেছে।
রায়ে বিচারপতি মোরাস উল্লেখ করেন, গৃহবন্দি থাকার সময় বলসোনারোর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে কোনো গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তাই মানবিক কারণে গৃহবন্দিত্ব বহাল রাখা যৌক্তিক বলে আদালত মনে করেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আদালতের এ সিদ্ধান্তে ব্রাজিলে সম্ভাব্য রাজনৈতিক উত্তেজনা কিছুটা কমতে পারে। তবে ২৭ বছরের সাজা বহাল থাকায় বলসোনারো ২০৩০ সালের আগে কোনো নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।