বৃহস্পতিবার ( ৮ অক্টোবর) বিকেলের দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) মাহফুজ আলম।
এর আগে বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে নিহতের স্ত্রী মোমিনা বেগম বাদী হয়ে ওই হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হচ্ছেন, জিহাদ আকন্দ ( ৩২), সানোয়ার আকন্দ ( ৫৫),এরশাদ আকন্দ (৩৪) জিল্লু আকন্দ ( ৪০) ও মাসুদ আকন্দ (৪৪)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার চকমাড়া (মধ্যপাড়া) গ্রামের একটি জমির সীমানা নিয়ে আসামিদের সাথে মোয়াজ্জিন জহুরুল ইসলামের আগে থেকেই বিরোধ চলে আসছিল। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হলেও অভিযুক্ত আসামিরা তা মেনে নেননি। এদিকে আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে বুধবার সকাল আনুমানিক ৯ টার দিকে মসজিদের পাশে জহরুল ইসলামের বিরোধপূর্ণ ওই জমিতে ইট দিয়ে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জন্য কোদাল দিয়ে মাটি খুড়ছিলেন।
এ খবর পেয়ে জহুরুল ইসলাম সেখানে গিয়ে তার জমিতে প্রাচীন নির্মাণ করে মসজিদের যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ না করার জন্য অনুরোধ জানায়। এতে অভিযুক্ত আসামিরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে এলোপাথাড়ি মারপিট করেন। এ সময় সানোয়ার আকন্দের হুকুমে জিহাদ আকন্দ তার হাতে থাকা কোদালের আছারি দিয়ে জহুরুলের বুকে জোরে আঘাত করেন। এ সময় তিনি মাটিতে পড়ে গিয়ে জ্ঞান হারান। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের ডাক্তার ফরহাদ আলী বলেন হাসপাতালে আনার আগে জহুরুল ইসলামের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর কারণ ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজ আলম বলেন, মামলায় ৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ২ থেকে ৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। নিহত জহুরুল ইসলামের সাথে আগে থেকেই আসামিদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ মামলায় এখন পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেননি।