গাইবান্ধায় বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ কক্ষে শিক্ষিকাকে ধর্ষণ, চেয়ারম্যানসহ ২ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের
আব্দুল কাফি সরকার, গাইবান্ধা প্রতিনিধি
|
২০২৬-০৮-২৬ ২২:৩৭
সিইও: সাজ্জাদ হোসেন
বাংলাদেশ অফিস: ইউরোপা টাওয়ার, ফ্ল্যাট ৩/বি, ৩৮৩/১/এফ বিটিভি সংলগ্ন, পূর্ব রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
যুক্তরাজ্য অফিস: লেক্স হাউস, ১-৭ হেইনল্ট স্ট্রিট, ইলফোর্ড আইজি১ ৪ইএল, যুক্তরাজ্য।
ফোন : +৪৪ ৭৪৯৫ ৯২২৫৮২
© ২০২৬ | চ্যানেল ১৮ কর্তৃক সর্বসত্ব ® সংরক্ষিত
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলা বিয়ের প্রলোভন দিয়ে এক শিক্ষিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলামসহ দুই জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে।প্রধান অভিযুক্ত ধর্ষক রবিউল ইসলাম( ৪০)সাদুল্লাপুর উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান এবং বৈষ্ণব দাস গ্রামের বাসিন্দা । ওই মামলায় সালেহীন আকন্দ (২৫) নামের আরও এক যুবককে আসামি করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষিকা।ভুক্তভোগী শিক্ষিকা (৩৩) ওই ইউনিয়নের বৈষ্ণবদাস গ্রামের বাসিন্দা ও ছান্দিয়ার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত আছেন।শিক্ষিকার অভিযোগ, ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম বিয়ের প্রলোভন দিয়ে তার সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। এরপর বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস করে বিভিন্ন সময়ে প্রায় ৩ লক্ষ টাকা চেয়ারম্যানকে দেন। কিন্তু পরবর্তীতে বিয়ে না করে চেয়ারম্যান বিভিন্ন টালবাহনা শুরু করেন। এ বিষয়ে চাপ সৃষ্টি করলে তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। এমনকি সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেন ওই শিক্ষিকা।
তিনি অভিযোগ আরো বলেন, তার ব্যক্তিগত কিছু ছবি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্পাদনা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়া হয়েছে।
অপরদিকে,চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম ওইসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তাকে সামাজিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যে এসব অভিযোগ করা হয়েছে।
গাইবান্ধা জজ কোর্টের বাদী পক্ষের আইনজীবী রেজওয়ান সরকার বলেন, ভুক্তভোগী নারী একজন সহজ সরল । তাকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম মেলামেশা করেছে। এমনকি এই নারীর স্বামীকেও তালাক দিতে বাধ্য করেছেন চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম।
সারলাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম হাবিবুর ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় আদালতের নির্দেশে আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।