এদিকে, সাব রেজিস্টার অফিস চত্বরের পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে দুপুরে ঘটনার ব্যাখ্যা দেয় দলিল লেখক সমিতি। পরে সাব রেজিস্ট্রি অফিস চত্বরে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে সমিতির সাধারণ সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তা মল্লিক এ ঘটনায় জড়িত দোষী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন এবং সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য সদর উপজেলা দলিল লেখকদের কলম বিরতির ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের চিহ্নিত কয়েক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে সাব রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল লেখক সমিতির কাছ থেকে চাঁদা দাবি করে আসছে। তাদের দাবি পূরণ করতে না পারায় তারা আজ রোববার এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তিনি দাবি করেন, অফিসের মূলফটক বন্ধ করে দেয়ার প্রতিবাদ করলে তাকে হাত ধরে টানাটানি করে লাঞ্ছিত করা হয়। তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিগতভাবে তাকে নিয়ে নানা ধরনের আপত্তিকর স্লোগান দেয়া হয়েছে। অথচ তিনি দলিল লেখকদের স্বার্থ সংরক্ষণের বাইরে কোনো ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত নন। এই ব্যাপারটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
অপরদিকে, বিক্ষোভকারীরা গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে এসে তাদের অভিযোগের কথা তুলে ধরেন। তাদের পক্ষে আব্দুস সালাম বলেন, জমি দলিলের জন্য ক্রেতাদের কাছ থেকে সমিতির নামে চাঁদাবাজি করছেন সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তা মল্লিক। তিনি জমির ক্রেতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৬ হাজার করে টাকা নিচ্ছেন। এই অন্যায়ের প্রতিবাদে রোববার মানববন্ধন ছিল। কিন্তু তার আগেই কিছু উত্তেজিত ভুক্তভোগী সাব রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে জড়ো হয়ে দলিল লেখক সমিতি ও তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেন। তারা ঘোষণা দেন আগামী মঙ্গলবার সচেতন গাইবান্ধাবাসীর ব্যানারে মানববন্ধন করবেন। তিনি আরও বলেন, দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোস্তা মল্লিক যখন যে অফিসার আসেন, তাকে সাথে নিয়ে দুর্নীতি শুরু করেন। ভুক্তভোগী জনগণ গাইবান্ধা সাব রেজিস্ট্রি অফিসের সীমাহীন দুর্নীতির কবল থেকে মুক্তি চান।