তিনি আরও বলেন, ‘নতুন করে ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি শুনতে পাচ্ছি। আমাদের এখন চোখ রাঙানো হয়, এসব চোখ রাঙানো আমরা ভয় করি না। প্রস্তুত থাকুন, চূড়ান্ত ডাক এলে আবার বের হতে হবে।’
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জনগণের ন্যায্য দাবি আদায়; বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ; আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে তিনটায় ফেনীর মহিপালে পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ফেনী জেলা জামায়াতের আমির মুফতি আবদুল হান্নানের সভাপতিত্বে পথসভায় বক্তব্য রাখেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এবি পার্টির মুজিবুর রহমান মঞ্জু ও এলডিপির কর্নেল অলি আহমদসহ ১১ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।
এনসিপির সভাপতি নাহিদ ইসলাম বলেন, সংসদে সংসদীয় স্বৈরতন্ত্র চালু করেছে বিএনপি। দুর্নীতি ও সিন্ডিকেটে জড়িয়ে সরকারি দল দেশে জ্বালানি সংকট তৈরি করেছে। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও দেশের তেল-গ্যাসসহ চলমান সংকট নিরসন না হলে গদিতে থাকতে পারবেন না।
এলডিপির কর্নেল অলি আহমদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, হাসিনা চলে গেছে কিন্তু বর্তমান সরকার হাসিনার স্টাইলে দেশ চালাচ্ছে।
মামুনুল হক বলেন, ‘আমরা পরিষ্কার ভাষায় বলতে চাই, গণভোট অবৈধ হলে অপর নির্বাচনটি বৈধ হতে পারে না। সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের ভোটও অবৈধ। তারা বাংলাদেশের মানুষকে হাইকোর্ট দেখানোর চেষ্টা করছে। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করা না হলে বিএনপিকে চূড়ান্তভাবে লালকার্ড দেখানো হবে।’
আক্তার হোসেন বলেন, ‘সাধারণ মানুষের পকেট কেটে তারা দেশ চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জনগণ গণভোটে নতুন বাংলাদেশের পক্ষে রায় দিয়েছে। সেই গণভোট নিয়ে নয়-ছয় করা যাবে না। জাতির সঙ্গে প্রতারণা করে সংবিধান সংস্কারের পরিবর্তে সংশোধনের কমিটি করেছেন।’
এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ‘গত ছয় মাসে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলে ৩১ জন মারা গেছে। তারা ইতিমধ্যেই দেশ চালাতে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।’
এনসিপি নেতা নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, ‘তারা আমাদের লংমার্চের টাকার হিসাব করে। আমরা বলব সিন্ডিকেট করে কত হাজার কোটি টাকা লুট করছেন তার হিসাব দিন। আমাদের ঘরে গ্যাস নাই, কারেন্ট নাই, আমরা বিল দিচ্ছি, আমাদের টাকা কোথায় যায়, প্রধানমন্ত্রী বিচার চাই। গণহত্যার খুনিদের বিচার ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন হওয়া পর্যন্ত আমরা ঘরে ফিরব না। কথা ছিল এ সরকার চাকরি দেবে, উল্টো চাকরি কেড়ে নিচ্ছে, কৃষক সারসংকটে পড়ছে।’