শনিবার (১১ জুলাই) রাতে উপজেলার আনন্দপুর ইউনিয়নের তালপুকুরিয়া ও হাসানপুর মসজিদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে ‘মায়ের দোয়া এন্টারপ্রাইজ’ পরিবহনের (নেত্রকোনা-ন-১১-০০৭৪) ফেনীগামী একটি পিকআপ ভ্যান ও একটি অ্যাম্বুলেন্সের সন্দেহজনক গতিবিধি নজরে আসে স্থানীয় যুবকদের। বিষয়টি জানতে পেরে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম পলাশ, আনন্দপুর ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মহিউদ্দিন মহিসহ স্থানীয় এলাকাবাসী গাড়ি দুটি আটক করার চেষ্টা করেন।
উপস্থিত জনতার টের পেয়ে অ্যাম্বুলেন্সটি দ্রুত গতিতে পালিয়ে যায়। অন্যদিকে, ভারতীয় কাপড় বোঝাই পিকআপ ভ্যানটি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা ধাওয়া করেন। পরে আনন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের পূর্ব পাশে হাসানপুর মসজিদের সামনে জনতা পিকআপটি ঘেরাও করে আটকে ফেলে। এ সময় চালক ও হেলপার পিকআপটি ফেলে কৌশলে পালিয়ে যায়।
ঘটনাস্থল থেকে চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় জব্দকৃত পিকআপ ভ্যান ও মোটরসাইকেল ফুলগাজী থানা পুলিশের হেফাজতে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে ফুলগাজী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নুরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, জনতার সহায়তায় জব্দকৃত পিকআপ ভ্যানে প্রাথমিক তল্লাশি চালিয়ে চোরাই পথে আনা ২০ গাইট ভারতীয় কাপড় উদ্ধার করা হয়েছে। মালামাল গণনা ও পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-বাছাই শেষে এর প্রকৃত পরিমাণ ও সঠিক বাজারমূল্য নির্ধারণ করা সম্ভব হবে। জব্দ করা মোটরসাইকেলটিও বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় জড়িত পলাতক চালক, হেলপার ও চোরাচালান চক্রের মূল হোতাদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।