শনিবার (৫ জুলাই) রাত ১০টার দিকে পশ্চিম মাসদাইর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত জিসান ওই এলাকার ইউনুছ মিয়ার ছেলে।
নিহতের বাবা ইউনুছ মিয়া অভিযোগ করেন, এলাকার একটি মসজিদের ইমাম কাওছার সম্প্রতি একটি সামাজিক সংগঠন গড়ে তুলেছেন। শনিবার রাতে কাওছারের নেতৃত্বে সংগঠনের ৩০ থেকে ৪০ জন সদস্য বাসা থেকে তাঁর ছেলেকে ধরে নিয়ে যান। পরে তাঁকে নির্মমভাবে নির্যাতন ও মারধর করে গুরুতর আহত অবস্থায় পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর দ্রুত তাঁকে শহরের খানপুর ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তবে আল ফালাহ সমাজকল্যাণ সংগঠনের নেতা কাওছার আহমেদ বলেন, জিসানের বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের অভিযোগ ছিল। তাঁকে সংশোধনের জন্য বোঝানো হয়েছিল। স্থানীয় জনতা ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁকে মারধর করে। পরে তাঁকে পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
এদিকে জিসানের মৃত্যুর খবর পেয়ে তাঁর বড় ভাই বাবুর নেতৃত্বে একটি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি করে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।