সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে পরিবেশ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম অঞ্চল কার্যালয়ে এক শুনানির মাধ্যমে এই রায় প্রদান করেন কার্যালয়ের পরিচালক জমির উদ্দিন।
দণ্ডিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- ছাগলনাইয়া উপজেলার মেসার্স সততা ব্রিকস, মেসার্স জামাল ব্রিকস ও মেসার্স কামাল ব্রিকস। অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় প্রতিটি ইটভাটাকে ৫ লাখ টাকা করে মোট ১৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ বাবদ জরিমানা করা হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ছাড়পত্রহীনভাবে ইটভাটা পরিচালনা ও অবৈধভাবে ফসলি জমির মাটি কাটার অভিযোগে ফেনী পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক শাওন শওকত বাদী হয়ে চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ে ওই ৩টি ইটভাটার বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি এনফোর্সমেন্ট মামলা দায়ের করেছিলেন। আজ সোমবার চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ে ইটভাটা মালিকদের উপস্থিতিতে শুনানি শেষে এই দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।
ফেনী পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক শাওন শওকত বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ফসলি জমি ও পরিবেশের ক্ষতিপূরণ বাবদ এই জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কয়েকটি ধাপে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার জন্য ইটভাটা মালিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিবেশ সুরক্ষায় ও অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এমন অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।