স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাত আড়াইটার দিকে প্রথমে নুরুল ইসলাম মাস্টারের গোয়ালঘরে হানা দেয় চোরেরা। তালা ভেঙে সেখান থেকে একটি লাল রঙের গাভিন গাভি নিয়ে যায় তারা। এরপর একই রাতে কুতুব উদ্দিন ফকিরের গোয়ালঘর থেকে একটি বাছুর এবং নেয়ামুল মৈশালের গোয়ালঘর থেকে দুটি গরু চুরি করা হয়।
সব মিলিয়ে চারটি গরুর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় তিন লাখ টাকা।
নুরুল ইসলাম মাস্টারের ভাই রুহুল আমিন জানান, রাত আড়াইটার দিকে গোয়ালঘরের তালা ভাঙার পর লাল রঙের গাভিন গাভিটি নিয়ে যায় চোরেরা। গরুটির আনুমানিক মূল্য এক লাখ টাকা।
কুতুব উদ্দিন ফকিরের চুরি যাওয়া বাছুরটির মূল্য প্রায় ৫০ হাজার টাকা। আর নেয়ামুল মৈশালের গোয়ালঘর থেকে চুরি হওয়া দুটি গরুর মূল্য আনুমানিক দেড় লাখ টাকা।
নুরুল ইসলাম মাস্টার বলেন, ‘গোয়ালঘর থেকে আমার গাভিটি চুরি হয়ে গেছে। এলাকায় গরু চুরির ঘটনা বাড়ায় আমরা আতঙ্কের মধ্যে আছি। এক রাতেই তিন বাড়িতে চুরি হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সবাই চিন্তিত।’
গাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মোহাম্মদ আমজাত ফকির বলেন, ‘এক রাতেই তিন বাড়ির গোয়ালঘরের তালা ভেঙে চারটি গরু চুরি হয়েছে। এর মধ্যে বকনা, ষাঁড় ও গাভিন গাভি রয়েছে।’
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুর আলম বলেন, ‘এ ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’