সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী ১০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিকেট ও ফুটবল দলের ২০ জন অধিনায়ক, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি ও খেলার নিয়মাবলি নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি গ্রুপ নির্ধারণে লটারি, প্রতিযোগিতার জার্সি ও ট্রফি উন্মোচন এবং খেলোয়াড়দের মধ্যে জার্সি বিতরণ করা হয়।
আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীরের পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনায় আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় প্রথমবারের মতো রাতের ফ্লাডলাইটের আলোয় ক্রিকেট ও ফুটবল ম্যাচ আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দুই খেলায় ১০টি বিশ্ববিদ্যালয় পৃথকভাবে দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
ক্রিকেটে ‘এ’ গ্রুপে রয়েছে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (আইইউবি), ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব), ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্স ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি), নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ) ও ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।
ফুটবলে ‘এ’ গ্রুপে খেলবে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, আইইউবি, ইউআইইউ, ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে এআইইউবি, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, ইউল্যাব, সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি ও ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্স।
ক্রিকেট ও ফুটবল—দুই বিভাগেই চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য ১০ লাখ টাকা এবং রানার্সআপ দলের জন্য ৫ লাখ টাকা করে প্রাইজমানি ঘোষণা করা হয়েছে।
অধিনায়ক সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন এবিজি স্পোর্টস সিটির পরিচালক মো. ইমরুল হাসান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের মিডিয়া অ্যাডভাইজার আব্দুল বারী, এবিজি স্পোর্টস সিটির অ্যাডভাইজার মো. লিয়াকত হোসেন ও মো. নাজমুল আলম ভূঁইয়া, টি স্পোর্টসের নির্বাহী পরিচালক তাসভির উল ইসলাম, ফুটবল বিভাগের অপারেশন্স ম্যানেজার সালমান হাসান এবং ক্রিকেট বিভাগের অপারেশন্স ম্যানেজার ইকরাম হোসেন রাফি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. ইমরুল হাসান বলেন, ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপের যাত্রা শুরু হচ্ছে ফুটবল ও ক্রিকেট দিয়ে। ভবিষ্যতে আরও নানা ইভেন্ট যুক্ত করে এ আয়োজনকে বৃহৎ পরিসরে এগিয়ে নিতে চাই। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদদের জন্য এমন একটি মঞ্চ তৈরি করতে চাই, যেখানে তাঁরা নিজেদের মেধা ও সামর্থ্য তুলে ধরে জাতীয় ক্রীড়াঙ্গনে অবদান রাখার পথ খুঁজে পাবেন।’
দেশের ক্রীড়াঙ্গনে বসুন্ধরা গ্রুপের অবদানের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন খেলায় পৃষ্ঠপোষকতা, বিশ্বমানের ক্রীড়া অবকাঠামো নির্মাণ এবং নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে বসুন্ধরা গ্রুপ। উপমহাদেশের অন্যতম বৃহৎ ক্রীড়া অবকাঠামো এবিজি স্পোর্টস সিটি সেই উদ্যোগ ও অঙ্গীকারের দৃষ্টান্ত।
ইমরুল হাসান আরও বলেন, সায়েম সোবহান আনভীরের পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনায় শুরু হওয়া এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ সময়ের সঙ্গে আরও বড় ও সমৃদ্ধ হবে এবং দেশের ক্রীড়াঙ্গনে শক্ত অবস্থান তৈরি করবে।
আয়োজক ও অংশগ্রহণকারী দলের অধিনায়কদের প্রত্যাশা, এ প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের মধ্যে দলগত সংহতি ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় থেকে জাতীয় পর্যায়ের উপযোগী প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে আসার সুযোগ তৈরি হবে।