শুক্রবার (১৫ মে) রংপুর মডেল কলেজ মিলনায়তনে রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের উপজেলা ও থানা আমির সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আগে অনেকেই জামায়াতকে ক্ষমতার প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করত না। কিন্তু এখন রাজনৈতিক বাস্তবতা বদলেছে। ফলে দলটির নেতাকর্মীদের আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।
তিনি বলেন, জামায়াতের কোনও দায়িত্বশীল ব্যক্তির বিরুদ্ধে সামান্য অভিযোগ উঠলেও মানুষ তা গুরুত্ব দিয়ে দেখবে। তাই লেনদেন, আচরণ ও দায়িত্ব পালনে সবাইকে দাগমুক্ত থাকতে হবে।
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, অর্থের প্রভাব নয়, ভোটযুদ্ধের মাধ্যমেই জয়লাভ করতে হবে। তিনি দাবি করেন, গরিব মানুষ কখনও তাদের ঈমান বিক্রি করে না।
স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় সীমার বাইরে গিয়ে সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিদের প্রার্থী করার কথাও জানান তিনি। তার ভাষ্য, অতীতে জামায়াতের বিরোধিতা করলেও সমাজে গ্রহণযোগ্য ও সৎ ব্যক্তিদের প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তবে তাদের হারাম কর্মকাণ্ডে জড়িত বা বদমেজাজি হওয়া চলবে না।
কল্যাণমূলক কাজে দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কাউকে তার প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত করা যাবে না।
সংরক্ষিত নারী আসনের প্রসঙ্গ টেনে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দলটি নিজেদের প্রাপ্ত কয়েকটি আসন অন্যদের জন্য ছেড়ে দিয়েছে। এর মধ্যে ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধানসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করেন তিনি।
বিগত সরকারের সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে দেশ একটি বোঝার নিচে ছিল। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।