বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Channel18

এক্সক্লুসিভ

দুই বছরে ২৩ পুলিশের আত্মহত্যা, সংকট কি শুধুই পারিবারিক?

দুই বছরে ২৩ পুলিশের আত্মহত্যা, সংকট কি শুধুই পারিবারিক?

দেশে দুই বছরে অন্তত ২৩ পুলিশ সদস্য আত্মহত্যা করেছেন। কিন্তু নথিতে এসব মৃত্যুর কারণ হিসেবে বারবার উঠে এসেছে একই ধরনের শব্দ—‘পারিবারিক কলহ’, ‘দাম্পত্য সমস্যা’, ‘মানসিক অশান্তি’। প্রশ্ন হলো, সংকট কি সত্যিই শুধু পরিবারে?

মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের বক্তব্যে উঠে আসছে ভিন্ন এক বাস্তবতা। ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টার ডিউটি, পর্যাপ্ত ছুটির অভাব, অস্বাস্থ্যকর আবাসন, আর্থিক চাপ, পরিবারকে সময় দিতে না পারা এবং মানসিক সমস্যার কথা জানালে পদোন্নতি বা পদায়নে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার ভয় তাদের দৈনন্দিন চাপের অংশ। ফলে ‘পারিবারিক’ বলে নথিভুক্ত ঘটনাগুলোর পেছনে কর্মপরিবেশ ও পেশাগত চাপ কতটা ভূমিকা রাখছে, সেই প্রশ্নও ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

দুই বছরে অন্তত ২৩ মৃত্যু

পুলিশ সদস্যদের আত্মহত্যার বছরভিত্তিক হিসাবে ২০২৪ সালে সংখ্যাটি ছিল ৩। পরের বছর তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৩ জনে, যদিও আরেকটি প্রকাশিত হিসাবে ২০২৫ সালে ১৪ জনের আত্মহত্যার তথ্য রয়েছে।

খুলনার সোনাডাঙ্গা এলাকায় রেলওয়ে পুলিশ লাইনে কর্তব্যরত অবস্থায় ‘নিজের অস্ত্রের গুলিতে’ খুলনা রেলওয়ে পুলিশের এক সদস্য নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভোরে নগরের সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার (দ্বিতীয় পর্যায়) খুলনা রেলওয়ে জেলা কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত কনস্টেবলের নাম সম্রাট বিশ্বাস (২৭)। তিনি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার শৈলেন বিশ্বাসের ছেলে। পুলিশ বলছে, নিজের অস্ত্র দিয়ে মাথায় গুলি করে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

চলতি ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত আরও ৮ পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যার তথ্য পাওয়া যায়। এরপর ১৭ জুলাই ঢাকার ডেমরা পুলিশ লাইন্সে কনস্টেবল সাইদুল ইসলাম এবং ২৬ আগস্ট গাইবান্ধায় পুলিশ সুপারের বাসভবনের ব্যারাকে পুলিশ সদস্য হাবিবুর রহমানের আত্মহত্যার ঘটনা প্রকাশ্যে আসে।

ফলে চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে প্রকাশিত হিসাবে আত্মহত্যার সংখ্যা অন্তত ১০। অর্থাৎ ২০২৫ ও ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত অন্তত ২৩ পুলিশ সদস্য আত্মহত্যা করেছেন। ২০২৫ সালের বিকল্প হিসাব ধরলে সংখ্যাটি দাঁড়ায় ২৪।

জুলাইয়ে নারায়ণগঞ্জে এক এএসআই এবং আগস্টে মিরসরাইয়ে আরেক পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুকেও প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা সন্দেহ করা হয়েছিল। তবে তদন্ত শেষ না হওয়ায় সেগুলো এই হিসাবে রাখা হয়নি।

সংখ্যার মধ্যেই আছে তথ্যের সংকট

পুলিশ সদস্যদের আত্মহত্যা নিয়ে নিয়মিত হালনাগাদ করা কোনো প্রকাশ্য সমন্বিত ডেটাবেজ নেই। ফলে সঠিক সংখ্যা বের করতে হচ্ছে পুলিশ সদর দপ্তরের পুরোনো তথ্যের সঙ্গে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ঘটনাগুলো মিলিয়ে।

পুলিশ সদর দপ্তরের হিসাবে ২০১৯ থেকে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫৬ সদস্য আত্মহত্যা করেছেন। এর পরের ঘটনাগুলো যোগ করতে হয়েছে গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে। এই কারণেই ২০২৫ সালের মোট সংখ্যা নিয়েও ১৩ ও ১৪—দুই ধরনের হিসাব পাওয়া যাচ্ছে।

তথ্যের এই ঘাটতির কারণে শুধু মোট সংখ্যা নির্ধারণ নয়, ঝুঁকির ধরন বিশ্লেষণও কঠিন হয়ে পড়ে। কোন পদমর্যাদার সদস্যদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বেশি, কী ধরনের চাপ বারবার ফিরে আসছে, আত্মহত্যার আগে সাহায্য চাওয়ার সুযোগ ছিল কি না বা আগাম সতর্কতার লক্ষণ দেখা গিয়েছিল কি না—এসব বিষয়ে ধারাবাহিক বিশ্লেষণের সুযোগ সীমিত থাকে।

পুলিশ সদর দপ্তরের ২০১৯ থেকে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মামলার তথ্য বিশ্লেষণে আত্মহত্যার কারণ হিসেবে সবচেয়ে বেশি ২৫ ঘটনায় ‘পারিবারিক কলহের’ কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মানসিক অশান্তি, মানসিক সমস্যা বা চাপের কথা রয়েছে ১১ ঘটনায়। দাম্পত্য সমস্যার কথা পাঁচটিতে এবং সম্পর্কজনিত সমস্যার কথা চারটিতে। আর্থিক সংকটসহ আরও কিছু কারণও নথিভুক্ত হয়েছে।

‘পারিবারিক কলহ’-ই কি কারণ?

তবে এসব ঘটনাকে একটি মাত্র কারণ দিয়ে ব্যাখ্যা করা কঠিন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, আত্মহত্যা একটি জটিল ও বহুমাত্রিক ঘটনা এবং সাধারণত একটিমাত্র কারণ দিয়ে এর ব্যাখ্যা করা যায় না।

এই প্রেক্ষাপটে পারিবারিক বা দাম্পত্য সংকটের সঙ্গে দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, অর্থনৈতিক চাপ, পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা এবং কর্মক্ষেত্রের চাপ কতটা যুক্ত ছিল, সেটিও বিশ্লেষণের বিষয় হয়ে ওঠে।

কর্মপরিবেশ নিয়ে যা বলছেন সদস্যরা

পুলিশ সদস্যদের কর্মপরিবেশ নিয়ে সরকারের নজরদারির বিষয়টিও সম্প্রতি সামনে এসেছে। ২২ আগস্ট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আকস্মিকভাবে ডিএমপির তেজগাঁও থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি থানার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সেবার মানের পাশাপাশি পুলিশ সদস্যদের ব্যারাক, মেস ও কাজের পরিবেশ ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শনের সময় সদস্যদের আবাসনব্যবস্থা, মেসের খাবারের মান ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। একই সঙ্গে থানায় কর্মরত সদস্যদের নাইট ডিউটি ও শিফট ডিউটির নির্দিষ্ট সময়সূচি এবং কর্মপরিবেশ সম্পর্কেও খোঁজ নেন তিনি।

মাঠপর্যায়ে কনস্টেবল থেকে এসআই পর্যায়ের কয়েকজন সদস্য জানিয়েছেন, তাদের অনেককে নিয়মিত ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করতে হয়। নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টার অভাবের পাশাপাশি পর্যাপ্ত ছুটি না পাওয়া, ব্যারাকের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, খাবার ও চিকিৎসার সীমাবদ্ধতা, বদলি ও পদোন্নতি নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং সংসারের খরচ তাদের চাপ বাড়ায়। দীর্ঘ সময় দায়িত্বে থাকার কারণে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগও কমে যায়।

২০২০ সালে পুলিশ সদর দপ্তরের একটি গবেষণায় কর্মঘণ্টা নির্ধারণ, ওভারটাইম ভাতা, স্বাস্থ্যসম্মত আবাসন ও খাবার, ছুটি বৃদ্ধি এবং শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নের প্রস্তাব উঠে এসেছিল। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব প্রস্তাবের বড় অংশ কার্যকর হয়নি।

সহায়তা চাওয়ার পথেও ভয়

মানসিক সমস্যার কথা প্রকাশ করা নিয়েও পুলিশ সদস্যদের মধ্যে সংকোচ রয়েছে। বিভিন্ন পদমর্যাদার সদস্যরা জানিয়েছেন, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিলে সেটি অসুস্থতা হিসেবে বিবেচিত হয়ে ভবিষ্যৎ পদোন্নতি বা ভালো পদায়নে প্রভাব ফেলতে পারে—এমন আশঙ্কা রয়েছে। ফলে সংকটে থাকলেও অনেকে চিকিৎসা বা কাউন্সেলিং এড়িয়ে যান।

পুলিশ বাহিনীর প্রায় দুই লাখের বেশি সদস্যের জন্য কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে মানসিক স্বাস্থ্য বিভাগ থাকলেও স্থায়ী মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নেই; আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে একজন বিশেষজ্ঞ দিয়ে কার্যক্রম চালানোর তথ্য পাওয়া গেছে।

ব্যক্তিগত উদ্যোগে ২৯২ পুলিশ সদস্যের ওপর পরিচালিত একটি জরিপে ৯৮ শতাংশ দায়িত্ব পালনকালে কোনো না কোনো মানসিক চাপ অনুভব করার কথা জানান। ৯১ শতাংশ পরিবারকে সময় দিতে না পারাকে চাপের কারণ বলেছেন, ৮৩ শতাংশ ঘুমের সমস্যার কথা জানিয়েছেন এবং ৯৫ শতাংশ কাউন্সেলিং প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন। তবে জরিপটি জাতীয় বা প্রতিনিধিত্বশীল নয়। ফলে এর ফল পুরো পুলিশ বাহিনীর ক্ষেত্রে সরাসরি প্রয়োগ করা যাবে না।

শুধু কাউন্সেলিং নয়, কর্মপরিবেশও গুরুত্বপূর্ণ

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মক্ষেত্রে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক নির্দেশনায় ব্যক্তিগত চিকিৎসার পাশাপাশি কর্মপরিবেশের পরিবর্তনের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। WHO কাজের চাপ কমানো, শিফট ও কর্মসূচি ব্যবস্থাপনা সংশোধন, ব্যবস্থাপকদের প্রশিক্ষণ, কর্মীদের মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতন করা এবং গোপনীয়ভাবে সহায়তা নেওয়ার সুযোগ তৈরির মতো সাংগঠনিক উদ্যোগের সুপারিশ করেছে।

আত্মহত্যা প্রতিরোধে সংকটে থাকা কর্মীকে আগেভাগে শনাক্ত করা এবং দ্রুত পেশাদার সহায়তার আওতায় আনার ওপরও জোর দিয়েছে সংস্থাটি। পুলিশসহ প্রথম সারির সেবাদাতাদের ক্ষেত্রে ঝুঁকির লক্ষণ শনাক্ত করার সক্ষমতা তৈরির কথাও বলা হয়েছে।

সামনে প্রশ্ন প্রতিরোধব্যবস্থা নিয়ে

বর্তমান অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে ২০২৬ সালের শেষ পর্যন্ত পুলিশে আত্মহত্যার সংখ্যা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, তার নির্ভরযোগ্য পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব নয়। তবে ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে আত্মহত্যার সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়া এবং চলতি বছরের আগস্টের মধ্যেই অন্তত ১০টি ঘটনা সামনে আসায় বিষয়টি নিয়ে ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণের প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট হয়েছে।

WHO-এর নির্দেশনা ও সংশ্লিষ্ট গবেষণায় আত্মহত্যা প্রতিরোধে নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ, গোপনীয় মানসিক স্বাস্থ্যসেবা, ঝুঁকিতে থাকা সদস্যদের আগাম শনাক্ত করা এবং কর্মপরিবেশের চাপ কমানোর মতো ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

পুলিশের ক্ষেত্রে তাই শুধু প্রতিটি মৃত্যুর পর অপমৃত্যুর মামলা করাই নয়, ঘটনার পেছনের ঝুঁকি ও পরিস্থিতি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পর্যালোচনার সুযোগ তৈরি করাও গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নেওয়ার কারণে পদোন্নতি বা পদায়নে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে—এমন ভয় দূর করার ব্যবস্থাও সহায়তা চাওয়ার পথ সহজ করতে পারে।

শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটি শুধু কতজন পুলিশ সদস্য আত্মহত্যা করছেন, তা নয়। সংকটে থাকা একজন সদস্যকে আত্মহত্যার আগেই শনাক্ত ও সহায়তার আওতায় আনার মতো ব্যবস্থা পুলিশ বাহিনীর ভেতরে কতটা কার্যকরভাবে গড়ে উঠছে—সেটিই বড় প্রশ্ন।

বিশেষজ্ঞ কী বলছেন

মনোরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক হেলাল উদ্দিন আহমেদ মনে করেন, পুলিশের মতো উচ্চচাপের পেশায় দীর্ঘ সময় মানসিক চাপের মধ্যে থাকা সদস্যদের জন্য শুধু সংকটের পর চিকিৎসার ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, সীমিত ছুটি এবং দীর্ঘদিন পরিবার থেকে দূরে থাকা মানসিক চাপ বাড়াতে পারে। পর্যাপ্ত সহায়তা না পেলে দীর্ঘমেয়াদি এই চাপ বিষণ্নতাসহ গুরুতর মানসিক সংকটে রূপ নিতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

তার মতে, পুলিশ সদস্যদের মৌলিক প্রশিক্ষণেই স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট অন্তর্ভুক্ত করা দরকার। পাশাপাশি চাকরির পুরো সময়ে নিয়মিত কাউন্সেলিং ও মানসিক স্বাস্থ্য স্ক্রিনিং এবং বিদ্যমান চাকরিবিধি সদস্যদের মানসিক সুস্থতার জন্য কতটা সহায়ক, সেটিও পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

আরও

‘বিয়ের মাধ্যমে’ ৫ বছরে চীনে গেছেন ৪২২৬ বাংলাদেশি নারী, অনেকের ক্ষেত্রে ‘অভিশপ্ত নরক’

এক্সক্লুসিভ

‘বিয়ের মাধ্যমে’ ৫ বছরে চীনে গেছেন ৪২২৬ বাংলাদেশি নারী, অনেকের ক্ষেত্রে ‘অভিশপ্ত নরক’

২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে অন্তত ৪ হাজার ২২৬ বাংলাদেশি নারী পারিবারিক (কিউ-১) ভিসায় চীন গিয়েছেন। ২০২২ সালে এই সংখ্যাটি ছ...

২০২৬-০৮-২৩ ১৪:০৭

তারেক রহমানকে ভারতে নিতে এত উতলা কেন মোদি সরকার?

এক্সক্লুসিভ

তারেক রহমানকে ভারতে নিতে এত উতলা কেন মোদি সরকার?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে কয়েক সপ্তাহ ধরে আলোচনা চলছে। কিন্তু সফরের তার...

২০২৬-০৮-১৯ ১৯:০৯

ভারতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, খবর দিল এনডিটিভি

এক্সক্লুসিভ

ভারতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, খবর দিল এনডিটিভি

আমন্ত্রণ রয়েছে, তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলেই ঢাকার তরফে বলা হচ্ছে। তার মধ্যেই ভা...

২০২৬-০৮-১৪ ১৪:২৪

রাষ্ট্রপতি নিয়ে জল্পনার মধ্যেই মন্ত্রিসভায় রদবদল?

এক্সক্লুসিভ

রাষ্ট্রপতি নিয়ে জল্পনার মধ্যেই মন্ত্রিসভায় রদবদল?

দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নিয়ে ক্ষমতাসীন দল, তার শরিকদের অবস্থান এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নিয়ে যখন নানা হিসাব-নিকাশ চলছে,...

২০২৬-০৮-১২ ১৪:৪৩

‘র’ প্রধান কেন ঢাকায়, যেসব আভাস পাওয়া গেলো

এক্সক্লুসিভ

‘র’ প্রধান কেন ঢাকায়, যেসব আভাস পাওয়া গেলো

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং ‘র’-এর প্রধান পরাগ জৈনসহ চার সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ৯ ও ১০ আগস...

২০২৬-০৮-১১ ১২:৫৭