নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী এখন থেকে তার ড্রাইভিং টেস্টের তারিখ বা স্থান সর্বোচ্চ দুইবার পরিবর্তন করার সুযোগ পাবেন। বর্তমানে এই সুযোগ ছয়বার পর্যন্ত বহাল থাকলেও আগামী ৯ জুন থেকে তা কার্যকরভাবে কমিয়ে আনা হচ্ছে। এই নিয়ম অনুযায়ী, কোনো শিক্ষার্থী যদি তার বুক করা টেস্টের স্থান পরিবর্তন করতে চান, তবে তিনি শুধুমাত্র ওই সেন্টারের পার্শ্ববর্তী সর্বোচ্চ তিনটি সেন্টারের মধ্যেই তা সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। তবে যদি একবার স্থান পরিবর্তন করা হয়, তবে পরবর্তী পরিবর্তনের ক্ষেত্রে নতুন ওই সেন্টারের নিকটস্থ তিনটি সেন্টারের মধ্যে অপশন বেছে নিতে হবে।
পরিবর্তনের এই সীমাবদ্ধতা কেবল তারিখ বা সেন্টার পরিবর্তনের ক্ষেত্রেই নয়, বরং অন্য কোনো শিক্ষার্থীর সাথে টেস্ট অদলবদল (Swap) করার ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য হবে। তবে শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত তথ্য যেমন—ঠিকানা বা ফোন নম্বর আপডেট করা, অথবা ডিভিএসএ যদি নিজে থেকে কোনো টেস্ট বাতিল বা পরিবর্তন করে, তবে তা এই নির্ধারিত ‘দুইবার’ পরিবর্তনের সীমার মধ্যে গণ্য হবে না।
এ ছাড়া বুকিং প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে গত ১২ মে থেকেই নতুন একটি নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে। এখন থেকে ড্রাইভিং ইনস্ট্রাক্টররা আর শিক্ষার্থীদের হয়ে টেস্ট বুক করে দিতে পারবেন না; শিক্ষার্থীদের নিজেদেরই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। বুকিংয়ের সময় সংশ্লিষ্ট ইনস্ট্রাক্টরের রেফারেন্স নম্বর প্রদান করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই নতুন নিয়মের ফলে অনেক শিক্ষার্থী এবং ইনস্ট্রাক্টরদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে যারা দূরবর্তী সেন্টারে বুকিং দিয়ে পরে কাছাকাছি সেন্টারে আসার অপেক্ষায় থাকতেন, তাদের জন্য এই পরিবর্তন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।