পরে স্বজনরা তাকে স্থানীয় ডাক্তারের কাছে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মৃণাল কান্তি জানিয়েছেন, রাত ৮টার দিকে গাজীরহাট হাজী নঈম উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বাথরুম থেকে শব্দ পেয়ে বিদ্যালয়ের কনস্ট্রাকশন শ্রমিকরা এগিয়ে যায়।
প্রধান শিক্ষক বলেন, বাথরুমের কাছে গিয়ে শ্রমিকরা নারী কন্ঠের কান্না শুনতে পায়। বাথরুম তালাবদ্ধ থাকায় তালা ভেঙে স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।
নন্দিতার মা শিমুল রায় জানান, তার মেয়েকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বিদ্যালয় ছুটি হয়েছে দুপুর ২টায়। ছুটি শেষে নন্দিতা বাথরুমে ঢুকলে পেছন থেকে কেউ তার মাথায় আঘাত করলে সে পড়ে যায়। এসময় তার হাত, পা, মুখ বেঁধে ফেলে একটি ইনজেকশন পুশ করে।
শিমুল রায় আরও বলেন, তার মেয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্লেড দিয়ে কেটে রক্তাক্ত করেছে দুর্বৃত্তরা।
স্থানীয় মাঝিরগাতী ফাঁড়ির পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জকে একাধিক বার ফোন দিয়ে পাওয়া যায়নি।