রোববার (৯ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে উপজেলার ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত মামুন ওই গ্রামের মো. মান্নান হোসেনের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকেলে গরুর জন্য ঘাস কাটতে চন্দ্রপাড়া গ্রামের পশ্চিম পাশের চকে যান মামুন। সন্ধ্যার পরও তিনি বাড়িতে ফিরে না আসায় স্বজনরা তাকে খুঁজতে বের হন। একপর্যায়ে রাত সাড়ে ৮টার দিকে ক্ষেতের মধ্যে তাকে নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্বজনরা।পরে খবর পেয়ে ধামরাই থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, মামুনের পেট ও ঘাড়ে পোড়ার দাগ এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে হত্যা করে মরদেহ ধানক্ষেতে ফেলে রাখা হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্বজনরা। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা খান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেছে। মরদেহের পেট ও ঘাড়ে পোড়ার চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ঘাস কাটার সময় বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।
ওসি আরও জানান, মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।