স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে বুধবার বিকেল থেকেই ইকবাল সিএনজি ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি নেওয়ার জন্য গাড়ির দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। বৃহস্পতিবার সকালেও মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিল অসংখ্য যানবাহন। সকাল ৯টার দিকে জুয়েল দাস কারখানায় যাওয়ার উদ্দেশে মহাসড়কের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। এ সময় চট্টগ্রামগামী একটি দ্রুতগতির ট্রাক তাকে সজোরে ধাক্কা দিলে তিনি ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।
নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকটি পরবর্তীতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি মিনিবাসকে পেছন থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে চেইন রিয়্যাকশনে মিনিবাসটি সামনে থাকা তিনটি মাইক্রোবাস ও একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে পর পর ধাক্কা দেয়। দুর্ঘটনার পরপরই ক্ষুব্ধ চালক ও স্থানীয় জনতা ঘাতক ট্রাকটির চালককে গণধোলাই দেয়।
ফাজিলপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ইনচার্জ) শহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহনগুলো সরাতে পুলিশ কাজ করছে এবং এ বিষয়ে একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।