নিহত যুবকের নাম ইয়ামিন (২৫)। তিনি ফেনী শহরতলীর মধ্যম চাঁড়িপুর গ্রামের চৌধুরী বাড়ির গিয়াস উদ্দিনের ছেলে। তিনি ফেনী কম্পিউটার ইনস্টিটিউট এর ফাইনাল বর্ষের টিটিসি বিভাগের ১৫ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও একটি বিস্কুট কারখানার সুপারভাইজার পদে কর্মরত ছিলেন।
নিহতের সহপাঠীরা জানান, ইয়ামিন সোমবার সকাল বেলায় পরীক্ষায় অংশ নেয়। দুপুর দেড়টার দিকে ফেনী সদর উপজেলার শর্শদী ইউনিয়নের মোহাম্মদ আলী বাজার থেকে একটি সিএনজি করে মহিপালের দিকে আসছিলেন। এসময় তিনি ফতেহপুর ফ্লাইওভার পর্যন্ত আসলে ছিনতাইকারী দল তার শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাত করে তাকে রাস্তায় ফেলে দিয়ে মোবাইল ও ব্যাগটি নিয়ে যায়। সেখান থেকে আমরা ইয়ামিনকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসি। জরুরী বিভাগের চিকিৎসক তার অবস্থা দেখে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
ফেনী জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেন, আমি বিকাল ৩ টার পর থেকে ডিউটি নিয়েছি। যখন ওই রোগীকে হাসপাতালে আনা হয়, তখন আমি ছিলাম না। যার কারণে ওই রোগীর কোন তথ্য দেয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়।
ফেনী মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম বলেন, ইয়ামিন নামক ওই যুবকের মৃত্যু সড়ক দুর্ঘটনায় হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি।
এদিকে মহিপাল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুল ইসলাম বলেন, ইয়ামিন নামের ওই যুবকের মৃত্যুর পর বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি। তার মৃত্যু কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় হয়েছে বলে শুনেছি। রাস্তায় লাগানো সিসিটিভির ফুটেজ হাতে আসলে ছিনতাইকারীর আঘাত নাকি সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়েছে তা বলা যাবে।