অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ২২ এপ্রিল দিবাগত রাত ১টার দিকে দাগনভূঞা পৌরসভার জগৎপুর গ্রামে কাশেম কমিশনারের বাড়ীর সামনে আবদুল গফুরের ছেলে রিয়াজ উদ্দিনসহ কয়েকজন পুকুর ঘাটে বসা ছিল। ওইসময় তাদের উপর মাসুম ও তার সহযোগীরা হামলা করলে এতে তারা কয়েকজন গুরুতর আহত হয়। এ ঘটনায় ১৩ জনকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় বুধবার (০৫ মে) ফেনীর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিন আবেদন করেন মাসুম, ইমাম হোসেন মিল্টন ও মামুন। আদালত তাদের জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরনের আদেশ দেন।
মাসুমের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওইদিন দিবাগত রাতে জগৎপুর গ্রামের সুলতান মিঞার পরিবার তাদের জমি থেকে মাটি কেটে পুকুর ভরাট করছিল। রাত ১টার দিকে জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি পদ থেকে বহিষ্কার হওয়া কাজী জামশেদুল আলম ফটিকের নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ একটি দল মাটি কাটতে টাকা দিতে হবে বলে তাদের জানায়। একপর্যয়ে মাসুম ও তার সাথে থাকা লোকদের উপর হামলার চেষ্টা করে। তখন তাদের চিৎকারে এলাকাবাসী বের হয়ে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের ধাওয়া দেয়। এতে উভয়পক্ষের কয়েকজন আহত হয়। এ ঘটনার জেরে রাত ৩টার দিকে মাসুমের বসতঘরে অগ্নিসংযোগ করে।
এ অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দাগনভূঞা থানায় মামলা করেন মাসুম। অগ্নিসংযোগের ঘটনা ধামাচাপা দিতে মাসুমদের নামে পাল্টা মামলা দেয়া হয়।