স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুই মাস আগে কুন্দিপুর গ্রামের ৩ বন্ধু মিলে ওই নাবালিকা মেয়েটিকে গলায় চাকু ধরে একটি ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে যায়। সেখানে হাবিলের ছেলে মিরাজ মেয়েটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ সময় আব্দুস সামাদের ছেলে পলাশ ধর্ষণের পুরো ঘটনাটি নিজের মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে এবং হোসেনের ছেলে জনি পাহারায় থাকে। ঘটনার দুই মাস পর তিন দিন আগে মোবাইল ফোনে ধারণকৃত ধর্ষণের ওই ভিডিওটি গ্রামের বিভিন্ন মানুষের ফোনে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় তুমুল ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে পুলিশ তৎপর হয়ে ওঠে। বুধবার সন্ধ্যার দিকে দর্শনা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভিডিও ধারণকারী পলাশ এবং পাহারাদার জনিকে গ্রেফতার করে। এদিকে, এই জঘন্য ধর্ষণের ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার নামে গ্রামের কাদেরের ছেলে আব্দুল মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে জোর গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুলের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) হিমেল রানা জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে ঘটনাস্থল চুয়াডাঙ্গা সদর থানা এলাকার মধ্যে হওয়ায় মামলাটি সদর থানাতেই দায়ের করা হয়েছে এবং আসামিদের সেখানে হস্তান্তর করা হয়েছে। সদর থানা পুলিশ মূল অপরাধী মিরাজকে গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছে।