রোববার (৭ জুন) বিকেলে চমেক হাসপাতাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, আজগর আলী আশিক ও শাহাদাত। তারা দুজনই এনসিপির কর্মী বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, সকালে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়৷ পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
অ্যাম্বুলেন্স চালকদের দাবি, এনসিপি নেতাকর্মীরা তাদের সঙ্গে বৈঠক করার জন্য বলে আসছে। বৈঠক না করায় তারা ঝামেলা তৈরি করছে।
ঘটনার বিষয়ে চট্টগ্রাম নগর এনসিপির সদস্য সচিব আরিফ মঈনুদ্দিন বলেন, সকালে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে যাওয়ার জন্য একটি অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করতে গেলে ১২ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে অন্য একটি অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করার চেষ্টা করলে চমেক এলাকার অ্যাম্বুলেন্স চালক সিন্ডিকেট বাধা দেয়। এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানালে এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। পরে ঘটনাটি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করতে গেলে সেখানেও বাধা দেওয়া হয় এবং হামলার ঘটনা ঘটে। এতে আমাদের দুই কর্মী আহত হন।
আরিফ মঈনুদ্দিন আরও বলেন, চমেক হাসপাতাল থেকে রোগী বা মরদেহ পরিবহনের ক্ষেত্রে একটি সিন্ডিকেট কাজ করছে। তাদের বাইরে অন্য কোনো অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করতে গেলে বাধার মুখে পড়তে হয়।
বাইরের অ্যাম্বুলেন্স চালকদেরও ভয়ভীতি দেখানো হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি দাবি করেন, রোগী ও স্বজনদের স্বার্থে এ সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়ায় উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যাতে সেবাগ্রহীতারা দরদাম করে সাশ্রয়ী মূল্যে সেবা নিতে পারেন।
পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহেদুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। আমরা দুপক্ষকে দুদিকে সরিয়ে দিয়েছি। পরে এনসিপির নেতাকর্মীরা নিরাপদে সংবাদ সম্মেলন করেছে৷ বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।