১. প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম গুছিয়ে রাখা: শেষ মুহূর্তের তাড়াহুড়ো এড়াতে আজ বিকেলের মধ্যেই প্রবেশপত্র, কলম, পেনসিল ও প্রয়োজনীয় জ্যামিতি বক্স একটি স্বচ্ছ ব্যাগে গুছিয়ে রাখা উচিত।
২. পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ঘুম: পরীক্ষার আগের রাতে অধিক পড়াশোনার চেয়ে মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দেওয়া জরুরি। দ্রুত ঘুমিয়ে পড়লে পরীক্ষার হলে মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হয়।
৩. কেন্দ্রে সময়মতো উপস্থিতি: যানজট কিংবা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে পরীক্ষা শুরুর অন্তত আধা ঘণ্টা আগে কেন্দ্রে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে হবে।
৪. ওএমআর (OMR) ফরমে সতর্কতা: রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর বৃত্ত ভরাট করার সময় তাড়াহুড়ো করা চলবে না। কোনো ভুল হলে বিচলিত না হয়ে তাৎক্ষণিক দায়িত্বরত পরিদর্শককে জানাতে হবে।
৫. প্রশ্নপত্র পর্যবেক্ষণ: হাতে প্রশ্ন পাওয়ার পর অন্তত ৫ মিনিট মনোযোগ দিয়ে পুরোটা পড়ে নিতে হবে। এতে উত্তরের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সহজ হয়।
৬. সহজ উত্তর আগে লেখা: যেসব প্রশ্নের উত্তর সবচেয়ে ভালো জানা আছে, সেগুলো আগে লিখলে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়। এতে পরবর্তী কঠিন প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
৭. সময় ব্যবস্থাপনা: প্রতিটি প্রশ্নের জন্য নির্দিষ্ট সময় ভাগ করে নিতে হবে। কোনো একটি কঠিন প্রশ্নে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করে অন্য প্রশ্নের সুযোগ নষ্ট করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।
৮. উত্তরপত্রের পরিচ্ছন্নতা: স্পষ্ট হাতের লেখা ও পরিচ্ছন্ন উত্তরপত্র পরীক্ষকের ইতিবাচক নজরে আসতে সাহায্য করে। তাই অপ্রয়োজনীয় কাটাকাটি বা ঘষামাজা বর্জন করতে হবে।
৯. সব প্রশ্নের উত্তর করার চেষ্টা: কোনো প্রশ্নই পুরোপুরি ছেড়ে আসা উচিত নয়। পাসের জন্য ন্যূনতম নম্বর নিশ্চিত করতে প্রতিটি প্রশ্নের সাপেক্ষে প্রাসঙ্গিক উত্তর লিখে আসা জরুরি।
১০. রিভিশনের জন্য সময় রাখা: পরীক্ষা শেষ হওয়ার অন্তত ১০ মিনিট আগে লেখা সম্পন্ন করে পুরো উত্তরপত্রটি পুনরায় যাচাই করে নিতে হবে। বিশেষ করে রোল নম্বর ও ছোটখাটো বানান ভুলগুলো সংশোধন করে নেওয়া প্রয়োজন।