শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে বিদ্যালয়টিতে নতুন অ্যাকাডেমিক ভবন বরাদ্দের চিঠি প্রদান ও প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এই চিত্র প্রত্যক্ষ করেন। পরিদর্শনের সময় বিদ্যালয়ের মাঠজুড়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দেখে তাৎক্ষণিক অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শুধু পাঠদানের জায়গা নয়, এটি শিশু-কিশোরদের মানসিক ও নৈতিক বিকাশের কেন্দ্র। সেখানে নোংরা পরিবেশ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তার মতে, পরিচ্ছন্নতা ও শৃঙ্খলা ছাড়া মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
ঘটনাস্থলেই তিনি সংশ্লিষ্ট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়ার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার তাগিদ দেন।
তবে এ ঘটনাকে ঘিরে উঠে এসেছে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—শুধু অবকাঠামো উন্নয়ন কি যথেষ্ট, নাকি তার সঙ্গে সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনার দিকেও?
প্রতিমন্ত্রী এ প্রসঙ্গে বলেন, নতুন অ্যাকাডেমিক ভবনের কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন জরুরি হলেও, তার পাশাপাশি পরিবেশগত মান বজায় রাখাও সমানভাবে নিশ্চিত করতে হবে। একটি আধুনিক ভবন তখনই অর্থবহ হবে, যখন তার চারপাশের পরিবেশ শিক্ষার উপযোগী হবে।
পরিদর্শনকালে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।
এই ঘটনাটি শুধু একটি বিদ্যালয়ের চিত্র নয়; বরং এটি দেশের অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি—যেখানে উন্নয়নের পরিকল্পনা থাকলেও, দৈনন্দিন রক্ষণাবেক্ষণের ঘাটতি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।