‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে’ জয়পুরহাটে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জেলা শহরের শহীদ ডা. আবুল কাশেম ময়দানে জেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠন এই বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে। এরআগে শহরের প্রধান সড়কে এক মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বলেন, উনি রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব গ্রহণের পর রমজান ছিল, কিন্তু কোন জিনিসপত্রে দাম বাড়ে নাই। এটি বোধ হয় দীর্ঘ সময়ের মধ্যে প্রথম রমজান মাসে জিনিসপত্রের দাম বাড়ে নাই। মধ্য পাচ্যের কারণে জ্বালানী তেলের ব্যাপক সংকট। সেই সংকট তিনি দেশে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে মোকাবেলা করলেন। কিন্তু তিনি তেলের দাম বাড়ায় নাই। আমাদের আশপাশে (পাশ্ববর্তী দেশ) তেলের দাম বেশি, সেখানে সিন্ডিকেট করে তেল চলে যায়, এজন্য কয়েকদিন আগে সমন্বয় করা হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রত্যেক ক্ষেত্রে বিরোধী দলের মতামতের ভিত্তিতে সফলভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করে যাচ্ছেন। জুলাই-আগস্টে যারা শহীদ হয়েছে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় যে জুলাই সনদে স্বাক্ষর হয়েছিল, সেই সনদ বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী বারবার বলেছেন। সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংবিধান সংশোধন ছাড়া জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিরোধী দলের জন্য নির্ধারিত পদ রাখা হয়েছে। তাদেরকে অনুরোধ করা হচ্ছে, আমি এখনও অনুরোধ করছি, আপনারা সেই কমিটিতে আসেন, আলোচনা করেন। আমরা সংবিধান সংশোধন করি। চিরতরে ফ্যাসিবাদ, স্বৈরাচার- এই দেশে প্রত্যাবর্তন বন্ধ করে দেই।
এই বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেন। এতে আরও বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক মাসুদ রানা প্রধান, সদর থানা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট হেনা কবির, শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু রায়হান উজ্জ্বল, আক্কেলপুর থানা বিএনপির সভাপতি কামরুজ্জামান কমল, সাধারণ সম্পাদক আরিফ ইফতেখার রানা, কালাই থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মওদুদ আহমেদ সহ দলটির শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।