বাগেরহাটে শিশুর পলিথিনে মোড়ানো গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩
আব্দুল্লাহ আল ইমরান, বাগেরহাট প্রতিবেদক
|
২০২৬-০৯-২৭ ১৫:৩৪
© ২০২৬ | চ্যানেল ১৮ কর্তৃক সর্বসত্ব ® সংরক্ষিত
বাগেরহাটের মোল্লাহাটে পানবরজের পাশ থেকে মুসলিমা খাতুন (৭) নামে এক শিশুর পলিথিনে মোড়ানো গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার কোদালিয়া ইউনিয়নের কচুড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মরদেহ উদ্ধারের পর হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে একটি বাড়ী ও পানবরজে আগুন দিয়েছে ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহতের স্বজনরা। পরে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। নিহত মুসলিমা খাতুন ওই এলাকার ইসলাম শেখের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিল। এ ঘটনায় নিহতের বাবা ইসলাম শেখ বাদী হয়ে মোল্লাহাট থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। মামলায় এজাহারনামীয় তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, ইসলাম শেখের প্রতিবেশী জাহাঙ্গীর শেখ (৫৫) এবং তাঁর দুই ছেলে রমজান শেখ (২৫) ও আব্দুর রহমান (২০)। তারা সবাই নিহত মুসলিমার প্রতিবেশী।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শনিবার বিকেলে সমবয়সী শিশুদের সঙ্গে প্রতিবেশী জাহাঙ্গীর শেখের বাড়িতে খেলছিল মুসলিমা। একপর্যায়ে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। রাতে জাহাঙ্গীর শেখের পানবরজের পাশে পলিথিনে মোড়ানো ও গলা কাটা অবস্থায় শিশু মুসলিমার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে মোল্লাহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম বলেন, শিশুটিকে কী কারণে এবং কারা হত্যা করেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। শিশুটির মরদেহ উদ্ধারের পর ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে একই এলাকার জাহাঙ্গীর শেখের বাড়ি ও পানবরজে আগুন দিয়েছেন। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।